শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৮ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
দুপুরের মধ্যে ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা নারীদের জন্য হাতিমে প্রবেশের সময়সূচি ও নির্দেশনা প্রকাশ ‘বন্দে মাতরম’ মুসলমানদের ধর্মীয় বিশ্বাসের পরিপন্থী: মাওলানা আরশাদ মাদানী হবিগঞ্জে হামলায় আহত আলিফকে দেখতে হাসপাতালে আমিরে মজলিস রাজধানীর পরিচ্ছন্নতা দেখতে নিজেই গাড়ি চালিয়ে সড়ক পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫৩ রুপসায় ইসলামী আন্দোলনের তৃণমূল প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত বিশ্ববাজারে আরও কমলো স্বর্ণের দাম ‘বন্দে মাতরম বাধ্যতামূলক করা ধর্মীয় ও সাংবিধানিক স্বাধীনতার পরিপন্থী’ মানুষ গড়ার প্রথম প্রতিষ্ঠান মসজিদ: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি

গাজা থেকে সব সেনা সরাবে না ইসরাইল, বানাবে সামরিক ঘাঁটি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজের জানিয়েছেন, তারা ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যাকা থেকে কখনোই পুরোপুরি সেনা প্রত্যাহার করবে না। তবে কাটজ বলেছেন, গাজায় একটি সেনা ঘাঁটি বানাবে ইসরাইল। খবর আল-আরাবিয়া ইংলিশ’র

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) এক অনুষ্ঠানে কাটজ ইঙ্গিত দেন, গাজার উত্তরাঞ্চলে ভবিষ্যতে নতুন সামরিক–কৃষিভিত্তিক ঘাঁটি স্থাপনের পরিকল্পনা দখলদার ইসরাইলের। যা অঞ্চলটিতে দীর্ঘমেয়াদি দেশটির উপস্থিতির স্পষ্ট বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে অধিকৃত পশ্চিম তীরের বেইত এল বসতিতে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর বেনিয়ামিন ব্রিগেডের সদর দপ্তর স্থানান্তরের চুক্তি এবং একই এলাকায় ১,২০০ নতুন বসতি নির্মাণের ঘোষণা দেওয়া হয়।

জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অধিকাংশ দেশ আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বসতিগুলোকে অবৈধ বলে মনে করে। তবুও ইসরাইল সরকার সেখানে বসতি সম্প্রসারণ অব্যাহত রেখেছে।

দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সঠিকভাবে, সঠিক সময়ে এগোচ্ছি। কেউ কেউ প্রতিবাদ করছে, কিন্তু সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা আমাদের হাতেই। এই সরকার সম্পৃক্ততা ও নিয়ন্ত্রণে বিশ্বাস করে। যদি সার্বভৌমত্ব প্রয়োগ সম্ভব হয়, আমরা তা প্রয়োগ করব। আমরা এখন কার্যকর সার্বভৌমত্বের একটি পর্যায়ে রয়েছি। ৭ অক্টোবরের ভয়াবহ ঘটনার পর ইসরাইল যে শক্ত অবস্থান নিয়েছে, তার ফলে এমন সুযোগ তৈরি হয়েছে যা দীর্ঘদিন ছিল না।’

বিশ্লেষকদের মতে, গাজা থেকে স্থায়ীভাবে সেনা প্রত্যাহার না করার ঘোষণা এবং নতুন সামরিক–কৃষি ঘাঁটির পরিকল্পনা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়াতে পারে। একই সঙ্গে এটি ভবিষ্যতে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

গত ১০ অক্টোবর থেকে ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে একটি নড়বড়ে যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে। তবে উভয় পক্ষই নিয়মিত একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের ইসরাইল অভিযানের পর গাজায় পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরাইল। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৭০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এছাড়া গাজার ২০ লাখের বেশি বাসিন্দার মধ্যে বিপুল সংখ্যক মানুষ একাধিকবার বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ