শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬ ।। ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৭ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
রাজধানীর পরিচ্ছন্নতা দেখতে নিজেই গাড়ি চালিয়ে সড়ক পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫৩ রুপসায় ইসলামী আন্দোলনের তৃণমূল প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত বিশ্ববাজারে আরও কমলো স্বর্ণের দাম ‘বন্দে মাতরম বাধ্যতামূলক করা ধর্মীয় ও সাংবিধানিক স্বাধীনতার পরিপন্থী’ মানুষ গড়ার প্রথম প্রতিষ্ঠান মসজিদ: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি সড়কে প্রাণ হারানো কুরআন শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন নোয়াখালীতে ইসলামি মহাসমাবেশ কাল, অতিথির তালিকায় রয়েছেন যাঁরা মেলায় আল-ওয়াসির আকর্ষণীয় অফার, প্রি-রেজিস্ট্রেশনেই মিলছে বিশেষ গিফট বক্স ‘জুলাইয়ের রক্তের সঙ্গে গাদ্দারি সরকারের জন্য শুভকর হবে না’

হজযাত্রী বাড়াতে মসজিদুল হারাম ঘিরে সৌদির নতুন প্রকল্প

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

সৌদি আরব মক্কার পবিত্র গ্র্যান্ড মসজিদের (মসজিদুল হারাম) পাশে একটি বিশাল নতুন প্রকল্পের ঘোষণা দিয়েছে, যা বছরে লক্ষাধিক হাজির জন্য অতিরিক্ত ৯ লাখ নামাজের স্থানসহ আবাসন ও আতিথ্যসেবা প্রদান করবে।

‘কিং সালমানস গেট’ নামের এই প্রকল্পে ইসলাম ধর্মের পবিত্রতম স্থানের পাশে একাধিক সুউচ্চ ভবন থাকবে। এটি হবে একটি ‘সমন্বিত মিশ্র-ব্যাবহারিক কেন্দ্র,’ যেখানে মক্কার সমৃদ্ধ স্থাপত্য ঐতিহ্য আধুনিক জীবনযাপনের সঙ্গে মিশে যাবে বলে সরকারি সৌদি প্রেস এজেন্সি বুধবার জানিয়েছে।

প্রায় তিন হাজার একর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই প্রকল্পে থাকবে ইনডোর ও আউটডোর নামাজের স্থান।

এটি বিশ্বের বৃহত্তম তেল রপ্তানিকারক দেশের অর্থনীতিকে বৈচিত্র্যময় করার বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ।
সৌদি কর্তৃপক্ষ এরই মধ্যে মক্কার জন্য ‘মাসার প্রকল্পে’ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে, যার মাধ্যমে অন্তত ৪০ হাজার নতুন হোটেল কক্ষ নির্মাণ করা হচ্ছে।

প্রতি বছর লক্ষাধিক মুসলমান মক্কা সফর করেন, তবে সবচেয়ে বড় ভিড় হয় বার্ষিক হজ মৌসুমে। চলতি বছরের জুনে ১৬ লাখ মানুষ হজে অংশ নেন।

সরকারি ধারণা অনুযায়ী, ২০১৯ সালে হজ ও ওমরাহ থেকে সৌদির আয় প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলার ছিল।
ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের ‘ভিশন ২০৩০’ পরিকল্পনার অন্যতম লক্ষ্য হলো তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে অর্থনীতিকে বৈচিত্র্যময় করা — যার অংশ হিসেবেই হাজিদের সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নতুন প্রকল্পের ঘোষণা আসে মাত্র কয়েক মাস পর, যখন গ্র্যান্ড মসজিদ সম্প্রসারণ প্রকল্প শেষ হয়েছে, যার ফলে মসজিদটির ধারণক্ষমতা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ মুসল্লি পর্যন্ত এবং আশপাশের চত্বরও সম্প্রসারিত হয়েছে।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ