শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬ ।। ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৭ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
রাজধানীর পরিচ্ছন্নতা দেখতে নিজেই গাড়ি চালিয়ে সড়ক পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫৩ রুপসায় ইসলামী আন্দোলনের তৃণমূল প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত বিশ্ববাজারে আরও কমলো স্বর্ণের দাম ‘বন্দে মাতরম বাধ্যতামূলক করা ধর্মীয় ও সাংবিধানিক স্বাধীনতার পরিপন্থী’ মানুষ গড়ার প্রথম প্রতিষ্ঠান মসজিদ: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি সড়কে প্রাণ হারানো কুরআন শিক্ষা বোর্ড কর্মকর্তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন নোয়াখালীতে ইসলামি মহাসমাবেশ কাল, অতিথির তালিকায় রয়েছেন যাঁরা মেলায় আল-ওয়াসির আকর্ষণীয় অফার, প্রি-রেজিস্ট্রেশনেই মিলছে বিশেষ গিফট বক্স ‘জুলাইয়ের রক্তের সঙ্গে গাদ্দারি সরকারের জন্য শুভকর হবে না’

প্রাণ ফিরে পাচ্ছে গাজার তাওহিদ মসজিদ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

অবশেষে গাজায় চালানো ইসরায়েলি বর্বরতা থেমেছে। কার্যকর হয়েছে যুদ্ধবিরতি। এর মধ্য দিয়ে বিধ্বস্ত গাজা নগরীর মসজিদগুলো প্রাণ ফিরে পেতে শুরু করেছে। গাজা সিটির পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত শাতি শরণার্থী শিবিরের তাওহিদ মসজিদটি কয়েক মাস বন্ধ থাকার পর খুলেছে। সেখানে শোনা গেছে আজানের শব্দ।

মসজিদটি শরণার্থী শিবিরের পশ্চিমাঞ্চলের প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে পরিচিত। এটি একমাত্র মসজিদ যা ইসরায়েলি বিমান হামলার সময় লক্ষ্যবস্তু হয়নি। ফলে, পুরো সংঘর্ষকালে এটি দাঁড়িয়েছে মানুষের দুর্দশা এবং স্থিরতার সাক্ষী হিসেবে।

গত শুক্রবার দুপুর ১২টায় যুদ্ধবিরতির পর প্রথমবারের মতো আজান বেজে ওঠে মসজিদে, এই আজান যেন স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে জীবনের সুরক্ষা এবং শান্তির বার্তা পৌঁছে দিয়েছে।

মসজিদে প্রবেশ করে কৃতজ্ঞচিত্তে সেজদা করেন স্থানীয় এক বাসিন্দা। তিনি বললেন, এই মসজিদ আমার ঘরের মতো ছিল, যুদ্ধ শুরুর পর আমি অনেক দূরে চলে গিয়েছিলাম। আমি কল্পনাও করতে পারিনি যে এত কঠিন যুদ্ধের পরেও মসজিদটি অক্ষত থাকবে।

মসজিদটির ফের খোলায় অন্য এক মুসল্লি একে ‘প্রাণের পুনরুত্থান’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আল্লাহর ইচ্ছায় কঠিন পরিস্থিতিতেও এই মসজিদ খোলা হলো, যা গাজার মানুষের উপর দু’বছরের কষ্ট কিছুটা হালকা করবে।

মসজিদটির মুয়াজ্জিন জানিয়েছেন, আল্লাহর রহমত যে এই মসজিদ এখনো সুরক্ষিত। মানুষ যেন নির্বিঘ্নে নামাজ আদায় ও ইবাদত করতে পারে তাই যুদ্ধবিরতির পর আমরা মসজিদটি পুনরায় পরিষ্কার করেছি।

গাজার এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শুক্রবার থেকে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি অনুযায়ী, ইসরায়েলি বাহিনী মসজিদের আশেপাশে শান্তি বজায় রাখার পরিবেশ তৈরি করেছে। এই মসজিদ আবারো খোলার বিষয়টিকে স্থানীয়রা  দুই বছরের যুদ্ধে হারানো আশা ও আত্মবিশ্বাস ফেরানোর প্রতীক হিসেবে দেখছেন। সূত্র: আল জাজিরা

এলএইস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ