শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

ফিলিস্তিন ইস্যু : মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতি আফগানিস্তানের তীব্র অসন্তোষ


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

|| জহিরুল ইসলাম ||

দখলদার ইসরায়েল আর মুক্তিকামী ফিলিস্তিনের মধ্যে চলছে ভয়াবহ যুদ্ধ। এক  সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও পাওয়া যায়নি যুদ্ধ বন্ধ কিংবা ফিলিস্তিনের সঙ্কট সমাধানের কোনো আভাস। এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর প্রতি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছে ইমারতে ইসলামিয়া আফগানিস্তান।

শনিবার (১৪ অক্টোবর) ইমারতে ইসলামিয়ার মুখপাত্র জবিহুল্লাহ মুজাহিদ তার একটি টুইটে প্রকাশ করেন এই বিবৃতি। পাঠকদের জন্য আমরা সেই বিবৃতি হুবহু তুলে ধরছি-

বেশ ক'দিন যাবৎ ফিলিস্তিনের নিরপরাধ ও অসহায় জনগণের ওপর দখলদার ইসরাইল অনবরত বোমাবর্ষণ ও হামলা চালাচ্ছে।

হাজার হাজার মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছে। ইসরায়েল বাহিনী দশ লাখেরও বেশি ফিলিস্তিনিকে তাদের বাড়িঘর ছেড়ে চলে যেতে  বলেছে। শত শত নারী, শিশু ও বয়স্ক মানুষ শহীদ হয়েছেন। অনেক বাড়িঘর ধ্বংস হয়েছে।

দখলদার ইসরায়েল কর্তৃক গাজার উপর ভয়াবহ বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। ইসরায়েলি নেতারা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে যে, গাজা উপত্যকায় খাদ্য, পানি, ওষুধ, তেল, এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় কোনো দ্রব্য সরবরাহ করতে দেয়া হবে না। ইমারাতে ইসলামিয়া এই অমানবিক নৃশংসতার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে।

ইমারাতে ইসলামিয়ার সরকার ফিলিস্তিনের নির্যাতিত জনগণের প্রতি ঐক্য ও সংহতি প্রকাশ করছে। সেই সাথে মুসলিম বিশ্বের প্রতি নিপীড়িত ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়ানো এবং এই মহান খোদায়ী পরীক্ষায় উদাসীন না থাকার আহ্বান জানাচ্ছে।

যেসব আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো কোনো দেশে কিছু হতেই মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে এবং হৈচৈ শুরু করে, তারা আজ ফিলিস্তিনি নারী, পুরুষ ও শিশুদের ওপর সহিংসতা ও নিপীড়নের মুখে  নীরব কেন?  নাকি তারা দখলদারদের সমর্থন করছে? এ থেকে প্রতিভাত হয় যে, বাস্তবে মানবাধিকারের বিষয়টি তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়।
 
বরং মানবাধিকারের শ্লোগানগুলো তারা নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থেই আওড়িয়ে থাকে। তা না হলে ফিলিস্তিনি জনগণের বেলায় তারা নিশ্চুপ কেন?  ফিলিস্তিনের শিশু, নারী ও বৃদ্ধরা কি মানুষ নয়? এ ক্ষেত্রে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।

ইপরায়েল কর্তৃক গাজা উপত্যকার উত্তরাঞ্চল থেকে বারো লাখেরও বেশি ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করার প্রচেষ্টা তো নিঃসন্দেহে গুরুতর যুদ্ধাপরাধ। এমতাবস্থায় মানবাধিকার সংস্থাগুলোর ব্যর্থতাই পরিলক্ষিত হচ্ছে।

আফগান সরকার  সমগ্র বিশ্বকে, বিশেষ করে মুসলিম দেশগুলো এবং  ওআইসিকে যত দ্রুত সম্ভব ফিলিস্তিনের সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে।

 ইসরায়েলের নৃশংস এবং বর্বরোচিত কর্মকাণ্ড বন্ধ করার জন্য যা করার, দ্রুত করতে হবে। অন্যথায়, সেখানে  যে কোনও ধরনের মানবিক বিপর্যয় নেমে আসতে পারে। তখন এর দায়ভার সকলের উপর বর্তাবে।

মাআস সালাম,
ইমারতে ইসলামিয়া, আফগানিস্তান

 ২৯/৩/১৪৪৫ হিজরি
 ১৪/১০/২০২৩ ঈসায়ী

কেএল/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ