শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

ভারতের জনগণ ফিলিস্তিনিদের পক্ষে : মাওলানা মাহমুদ মাদানী


নিউজ ডেস্ক

নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

<<জহিরুল ইসলাম>>

জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সভাপতি মাওলানা মাহমুদ আসআদ মাদানী ফিলিস্তিনে চলমান ইসরায়েলের ধ্বংসযজ্ঞের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং দ্রুতই এর অবসান ও সমাধানকল্পে বিশ্বনেতাদের, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ, ওয়ার্ল্ড মুসলিম লীগ প্রভৃতি আন্তর্জাতিক মহলকে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

মাওলানা মাদানী বলেন, ভারতের জনগণ ফিলিস্তিনিদের পক্ষে রয়েছে। বিগত পঁচাত্তর বছর ধরে তারা ইসরাইলি বর্বরতার নির্মম শিকার। নিজ দেশেই তারা পরদেশী শত্রুদের হাতে বন্দী। ফিলিস্তিনের মুসলিমগণ যত আন্দোলন-সংগ্রাম করছেন, সব তাদের জন্মভূমির স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও প্রথম কেবলা রক্ষার জন্যই।

মাওলানা মাদানী আরও বলেন, চলমান যুদ্ধের মূল কারণ হচ্ছে— ফিলিস্তিনে  ইসরাইলের অবৈধ ক্ষমতায়ন ও অনধিকারচর্চা। এই মুহূর্তে  জাতিসংঘের অপরিহার্য কর্তব্য হচ্ছে— নিরাপত্তা পরিষদের নীতি অনুযায়ী এই যুদ্ধের অবসান ঘটানো এবং ফিলিস্তিনকে ইসরায়েল থেকে মুক্ত- স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা দেয়া।

মাওলানা মাদানী ইসরায়েল-ফিলিস্তিনের যুদ্ধকে কেন্দ্র করে ভারতীয় মিডিয়ার মিথ্যাচার ও প্রোপাগান্ডার ব্যাপারে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যারা তাদের অধিকার রক্ষার জন্য লড়াই করছে, তাদেরকে সন্ত্রাস আখ্যা দেয়া কোনোভাবেই মেনে যায় না। ভারতের জাতীয় নেতৃবৃন্দ— মহাত্মা গান্ধী, পণ্ডিত নেহেরু এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী প্রমুখ সবসময়ই ফিলিস্তিনিদের অধিকার নিয়ে কথা বলতেন।

সুতরাং আমরা বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর কাছেও আশা করব যে, তিনি ইসরায়েল-ফিলিস্তিনের সঙ্কট নিরসনে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবেন এবং ইসরায়েলের পাশে না দাঁড়িয়ে ইনসাফের ওপর থাকবেন। নিরপরাধ ও নির্যাতিত মানুষদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে আপন ক্ষমতার সদ্ব্যবহার করবেন। এতেই আমাদের সবার কল্যাণ। আর এটাই আমাদের কর্তব্য।

সূত্র- দেওবন্দ টাইমস

কেএল/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ