নিজস্ব প্রতিবেদক—
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার জুমারবাড়ি ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রহিম। একটি বেসরকারি স্কুলে ধর্মীয় শিক্ষক হিসেবে কর্মরত। তিনি প্রতিদিন শিক্ষার্থীদের আলোকিত ভবিষ্যৎ গড়ার কাজে নিয়োজিত থাকলেও নিজের জীবন কাটছিল চরম কষ্ট ও অনিশ্চয়তার মধ্যে।
পৈতৃক সূত্রে পাওয়া মাত্র চার শতক জমির ওপর ছিল একটি জরাজীর্ণ ঘর। ঘরের বেড়া ও চালের অবস্থা এতটাই নাজুক ছিল যে, সামান্য বৃষ্টিতেই স্ত্রী ও আট মাস বয়সী সন্তানকে নিয়ে ভিজে থাকতে হতো তাকে। নদী তীরবর্তী এলাকা হওয়ায় বর্ষাকালে ঘরে হাঁটুসমান পানি ঢুকে পড়ত। সীমিত আয়ের কারণে ভাঙা ঘরটি সংস্কার বা নতুন ঘর নির্মাণের সামর্থ্যও ছিল না তার।
এমন মানবেতর জীবনযাপনের খবর পৌঁছে যায় দেশের অন্যতম সেবামূলক প্রতিষ্ঠান আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন–এর কাছে। পরে ফাউন্ডেশনের গৃহনির্মাণ প্রকল্পের আওতায় আব্দুর রহিমের ভাঙা ভিটায় নির্মাণ করে দেওয়া হয় একটি নতুন, মজবুত ও বাসযোগ্য টিনের ঘর।
নতুন ঘর পেয়ে খুশি আব্দুর রহিম ও তার পরিবার। এখন আর বৃষ্টির রাতে পানি পড়ার আতঙ্ক নেই, নেই স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে ভিজে থাকার কষ্ট। নিরাপদ আশ্রয় পেয়ে তাদের মুখে ফিরেছে স্বস্তির হাসি।
বিষয়টি নিয়ে নিজের ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট শেয়ার করেছেন আস-সুন্নাহর চেয়ারম্যান ও জনপ্রিয় ইসলামি আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ। তিনি জানান, অসহায় মানুষের আবাসন সংকট নিরসনে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন নিয়মিতভাবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় গৃহনির্মাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এর অংশ হিসেবেই আব্দুর রহিমের পরিবারের জন্য নতুন ঘর নির্মাণ করা হয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, একজন স্বল্প আয়ের শিক্ষকের জন্য এই সহায়তা শুধু একটি ঘর নয়, বরং তার পরিবারকে নতুন করে স্বপ্ন দেখার সুযোগ করে দিয়েছে।
আইও