বিশিষ্ট সাংবাদিক মাসুদ মজুমদার বলেছেন, মাওলানাদের মধ্যে আখতার ফারূক ছিলেন বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের এক বিদগ্ধ পণ্ডিত। তিনি ছিলেন মুসলমানদের জন্য বাংলা সাহিত্যের আলোকবর্তিকা। ৬০'র দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা সাহিত্যের মেধাবী এই ছাত্র ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। তৎকালীন সময়ে ইসলামপন্থীদের মধ্যে একসাথে আলেম, শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও বিদগ্ধ রাজনীতিবিদ হিসেবে তাঁর মত যোগ্য লোক ছিল বিরল।
শনিবার (৯ মে) জাতীয় সাংস্কৃতিক ফোরামের উদ্যোগে বাংলা সাহিত্যের খ্যাতিমান সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও খেলাফত মজলিসের সাবেক নায়েবে আমির অধ্যাপক মাওলানা আখতার ফারূক রহ. এর সাহিত্যকর্ম নিয়ে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জাতীয় সাংস্কৃতিক ফোরামের নির্বাহী সভাপতি ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সালের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কাজী আরিফুর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় মরহুমের স্মৃতিচারণমূলক কথা ও বাঙ্গালি জাতির ইতিকথা বইয়ের উপর আলোচনা রাখেন লেখক, গবেষক ড. ঈসা শাহেদী, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সাবেক পরিচালক মো. জিয়াউল হক শামীম, সাবেক সচিব মো. নুরুল আলম, প্রকাশক হাফেজ সুলতান আহমদ, রম্য লেখক ডা. আবদুল্লাহ খান, মাসিক গোলাপ কুঁড়ির সম্পাদক মো. মুনতাসিব আলী, অধ্যাপক আবদুল জলিল, ক্যালিওগ্রাফি শিল্পী আরিফুর রহমান, লেখক, গবেষক মুহসিনুদ্দিন মাহমুদ, সাংবাদিক আবু ইসমাঈল মোহাম্মদ দানিয়েল, কবি শামসুল করীম খোকন, টিএম নাজমুল হক, গীতিকার সুরকার শিল্পী আনিসুর রহমান শিপলু, কবি খালেদ সানোয়ার, দাবানল শিল্পী গোষ্ঠীর প্রধান পরিচালক কাউসার আহমদ সোহাইল প্রমুখ।
বক্তাগণ মরহুম আখতার ফারূক রহ.-এর বহুমাত্রিক প্রতিভার কথা নবীন সাহিত্যিকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব পালনে প্রবীণদেরকে আহ্বান জানান।
জেডএম/