শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের হস্তক্ষেপ চায় ইসলামী আন্দোলন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ছবি: সংগৃহিত

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমেদ বলেছেন, নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে দেশের নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ মারাত্মক চাপে পড়েছে। বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারকে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।

বুধবার (৮ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

মাওলানা ইউনুছ বলেন, সবজি, মুরগি, ভোজ্যতেল ও চিনিসহ অধিকাংশ নিত্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর। অনেক ক্রেতা বাধ্য হয়ে তুলনামূলক কম দামের পণ্য কিনছেন, আবার কেউ প্রয়োজনের তুলনায় কম পরিমাণে কেনাকাটা করছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, বর্তমানে সোনালি মুরগির কেজি ৪০০–৪৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা রমজানে ছিল ২৭০–৩০০ টাকা। ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০–১৮০ টাকা, লেয়ার মুরগি ৩৪০–৩৫০ টাকা কেজি দরে। গরুর মাংসের কেজি ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা ঈদের আগে ছিল ৭৫০–৭৮০ টাকা। রুই, কাতলা ও তেলাপিয়া মাছের দাম কেজিতে প্রায় ২০ টাকা বেড়েছে। সয়াবিন তেলের দাম লিটারে অন্তত ৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।

এছাড়া বিভিন্ন সবজির দাম ২০–৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে শতকের ঘরে পৌঁছেছে। চিচিঙ্গা, ঝিঙে ও ধুন্দল ১০০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না বলেও উল্লেখ করা হয় বিবৃতিতে।

এদিকে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৭২৮ টাকা নির্ধারণ করা হলেও বাজারে খুচরা পর্যায়ে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব দাবি করেন, পণ্যমূল্য বৃদ্ধির পেছনে যৌক্তিক কারণ নেই। বরং সিন্ডিকেট, চাঁদাবাজি ও অতিমুনাফার প্রবণতার কারণে বাজার অস্থিতিশীল হচ্ছে। তিনি বাজার তদারকি জোরদার করা, মজুতদারি বন্ধ এবং অতিমুনাফাখোরদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান

জেডএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ