শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৭ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

মাওলানা আইনুল ইসলাম কাসেমীর মুক্তি দাবি হেফাজতের

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার
ফাইল ছবি

দৈনিক প্রথম আলো কার্যালয়ে ভাঙচুরের মামলায় কারান্তরীণ মাওলানা আইনুল হক কাসেমীকে নিরপরাধ হিসেবে উল্লেখ করে অবিলম্বে তার মুক্তির দাবি জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী। 

বিবৃতিতে মাওলানা ইসলামাবাদী বলেন, ‘আমরা প্রথম আলো অফিস ভাঙচুরের মামলায় কারাবন্দী নিরপরাধ আলেম মাওলানা আইনুল হক কাসেমীর দ্রুত মুক্তি দাবি করছি। ইতোমধ্যে বিনা বিচারে জেলে তার ১০০ দিন পার হয়েছে। এটি সুস্পষ্ট মানবাধিকার লঙ্ঘন। এই রাষ্ট্রীয় মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায় সদ্যবিদায়ী ইউনূস সরকারের। বর্তমান বিএনপি সরকারের কাছে আমাদের জোর দাবি, মাওলানা আইনুল হক কাসেমীসহ সংশ্লিষ্ট মামলায় যারা নিরপরাধ, তাদের অবিলম্বে মুক্তি দিয়ে রাষ্ট্রের দায় মোচন করুন।’

হেফাজত নেতা বলেন, ‘আমাদের জানামতে, ভাঙচুরের ঘটনাটির সাথে মাওলানা আইনুল হক কাসেমীর কোনো সম্পর্ক নেই। প্রথম আলোর কঠোর সমালোচক হওয়ায় তাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ফাঁসানো হয়েছে বলে আমরা মনে করি। তাছাড়া বিনা বিচারে একজন নিরীহ আলেম এতদিন জেল খাটতে পারেন না। বিষয়টি চরম অমানবিক। এমনকি তা নিয়ে প্রথম আলো কর্তৃপক্ষেরও কোনো মাথাব্যথা নেই। আমরা দেশের সুশীল সমাজ, মানবাধিকার সংগঠন ও ইসলামী দলগুলোকে নিরীহ আলেম মাওলানা আইনুল হক কাসেমীসহ অন্য আলেমদের মুক্তির দাবিতে সোচ্চার হওয়ার জোরালো আহ্বান জানাচ্ছি।’

মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী বলেন, ‘মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশে নতুন প্রজন্মের চিন্তা-চেতনায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটে গেছে। অ্যাজেন্ডা-সাংবাদিকতা ও হাস্যকর শিল্পব্যবসা দিয়ে তাদের আর ভোলানো যাবে না। আমরা সহিংসতা সমর্থন করি না। আধিপত্যবাদের মুখপত্র হিসেবে চিহ্নিত প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ ও সমালোচনা জারি থাকবে ইনশাআল্লাহ।’

 

জেডএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ