শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাংলাদেশি নারী নিহত ১১ এপ্রিল ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবি ইসলামী আন্দোলনের ‘গণভোটের রায়ের আলোকে সংবিধান সংস্কারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে’  ৪০ দিনের যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ১৮ লক্ষ কোটি টাকা মার্কিন কংগ্রেসে জোরালো হচ্ছে ট্রাম্পকে অপসারণের দাবি দৌলতদিয়ায় বাসডুবিতে নিহত ২৬ জনের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় দ্রুত কার্যকর না হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে: মাওলানা জালালুদ্দীন আহমাদ বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল প্রণয় ভার্মাকে বেলজিয়াম ও ইইউ’র ভারতের রাষ্ট্রদূত নিয়োগ

যশোর-৫ আসনে মাওলানা রশীদ বিন ওয়াক্কাসের ছাড় পাওয়ার সম্ভাবনা উজ্জ্বল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

||বিশেষ প্রতিনিধি||

বিএনপি তাদের জোটসঙ্গীদের জন্য এবার বেশ কিছু আসনে ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দলটি প্রাথমিকভাবে ২৩৭টি আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে। বাকি ৬৩টি আসন ফাঁকা রয়েছে। এর মধ্যে একটি বড় অংশ শরিকদের ছাড়বে দলটি।

এবার ইসলামি দলগুলোর মধ্যে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্য ঘোষণা দিয়ে বিএনপির সঙ্গে রয়েছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম। দলটির বিভাজিত দুটি অংশই এখন বিএনপি বলয়ে। দুই অংশকেই কয়েকটি আসনে বিএনপি ছাড় দেবে বলে জানা গেছে।

জমিয়ত নেতাদের মধ্যে বিএনপির কাছ থেকে ছাড় পাওয়ার ক্ষেত্রে অনেকটা এগিয়ে আছেন মাওলানা রশীদ বিন ওয়াক্কাস। যশোর-৫ (মনিরামপুর) আসনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এই আসনে বিএনপি কোনো প্রার্থী দেয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, বিএনপি মাওলানা রশীদ বিন ওয়াক্কাসকে এই আসনে প্রার্থী করবে। জমিয়তের এই অংশের যেহেতু নিবন্ধন নেই এজন্য শেষ পর্যন্ত তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়েই নির্বাচন করতে পারেন।

মাওলানা রশীদ বিন ওয়াক্কাস হলেন ঐক্যবদ্ধ জমিয়তের দীর্ঘদিনের মহাসচিব এবং একাংশের সভাপতি মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাসের ছেলে। মুফতি ওয়াক্কাস এই আসনের একাধিকবারের সংসদ সদস্য। সাবেক প্রতিমন্ত্রী এবং হুইপ। বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটের এমপি ছিলেন তিনি। সবশেষ ২০১৮ সালেও তিনি এই আসনে ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।

যশোরের এই আসনটি হিন্দু অধ্যুষিত। এর মধ্যেও মুফতি ওয়াক্কাস একাধিকবার এই আসন থেকে বিজয়ী হয়েছেন। কথিত আছে, এখানকার হিন্দুরাও একজন মাওলানাকে তাদের জন্য নিরাপদ মনে করে ভোট দিতেন। বিএনপির শক্তিশালী কোনো প্রার্থী না থাকায় এই আসনটি জোটসঙ্গীকে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে। শেষ পর্যন্ত বিএনপির ছাড় পেলে এই আসনে মাওলানা রশীদ বিন ওয়াক্কাসের সম্ভাবনা অনেকটা উজ্জ্বল বলে এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে।

এনএইচ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ