মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিন শেষ হয়ে এলে  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান

উচ্চ বংশের পরিচয় পরকালে কাজে আসবে কী? হজরত সালমান ফার্সি রা.

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুযযাম্মিল হক উমায়ের।।

হজরত সালমান ফার্সি রাজিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু। কুরাইশ গোত্রের কিছু মানুষ তাঁর কাছে বংশ মর্যাদা নিয়ে পরস্পর গর্ব করতে শুরু করেছে। তাদের কথা শুনে হজরত সালমান ফার্সি রাজিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বললেন, ‘তবে আমাকে নাপাক নুতফা থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে। তারপর আমি ফিরে যাবো পচা মৃতদেহে। তারপর উপস্থিত হবো, মিজানের পাল্লায়। যদি মিজানের পাল্লা ভারি হয়ে যায়, তাহলে আমি সম্মানিত ব্যক্তি। আর যদি মিজানের পাল্লা হালকা হয়ে যায়, তাহলে আমি নিকৃষ্ট ব্যক্তি।’

লেখক বলেন, তবে হ্যাঁ, যদি উচ্চ বংশের সাথে যদি তাকওয়া সম্পৃক্ত থাকে, তাহলে তা হবে নূরের উপর আরো নূর। আর যদি বংশ তাকওয়া মুক্ত হয়, তাহলে সেটি প্রশংসার তুলনায় নিন্দার বেশি উপযুক্ত। সুতরাং বংশকে টেনে নিয়ে আসা কোনো মানুষের জন্য প্রশংসার কিছু হতে পারে।

হজরত ইবনে তাইমিয়া রাহিমাহুল্লাহু তায়ালা বলেন, ‘পবিত্র কুরআনুল কারীমে একটি আয়াতও এমন নেই, যেখানে বংশের কারণে কারো প্রশংসা করা হয়নি। এমন একটি আয়াতও নেই, যেখানে বংশের কারণে কারো নিন্দা করা হয়েছে। তবে প্রশংসার বস্তু হিসাবে পবিত্র কুরআনুল কারীমে যা উল্লেখ করা হয়েছে, সেটি হলো, ঈমান আর তাকওয়া। আর নিন্দার বস্তু হিসাবে যা উল্লেখ করা হয়েছে, সেটি হলো, কুফুরি, গুনাহ আর নাফরমানি।’

লেখক বলেন, হজরত ইবনে তাইমিয়া রাহিমাহুল্লাহু তায়ালা যথাযথই বলেছেন। আল্লাহ তায়ালা আবু লাহাবের নিন্দায় পূর্ণ একটি সুরা অবতীর্ণ করেছেন। আবু লাহাবের খারাপতা বর্ণনা করেছেন। কারণ হলো, সে আল্লাহ তায়ালাকে অস্বীকার করতো। সে হুজুর সাল্লাল্লাহু তায়ালা আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে শত্রুতা পোষণ করতো। রাসূলের কুৎসা প্রচার করে বেড়াতো।

অন্যদিকে আল্লাহ তায়ালা হুজুর সাল্লাল্লাহু তায়ালা আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সুরা আবাছা এবং বিভিন্ন সুরার আয়াতে মুমিনদেরকে কাছ থেকে সরিয়ে দিতে নিষেধ করেছেন।

আহ! আল্লাহ তায়ালার সাথে সাক্ষাতের দিনে যদি আমাদের মিজানের পাল্লা ভারি হয়ে যায়, তাহলে আমাদের চেয়ে বেশি সম্মানী আর কে আছে? আর যদি আমাদের মিজানের পাল্লা হালকা হয়ে যায়, তাহলে আমাদের চেয়ে নিকৃষ্ট আর কে আছে?

আল্লাহ তায়ালা আমাদের দোষ-ত্রুটিসমূহকে ঢেকে রাখুন। আমাদের মিজানের পাল্লাকে ভারি করে দিন। আমাদের আমলনামাকে বরকত দিয়ে পরিপূর্ণ করে দিনà¥