আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠে আর এক ঘণ্টার মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভা শুরু হবে। এদিকে জনসভা শুরুর তিন ঘণ্টা আগে বেলা সাড়ে ১০টার মধ্যেই নেতাকর্মীদের ভিড়ে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠ। এ সময়ের পর জনসভার দিকে আসা নেতাকর্মীরা আর মাঠের ভেতরে ঢুকতে পারেননি বলে জানা গেছে। তাই নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের জনস্রোত ছড়িয়ে পড়েছে আশপাশের সড়কগুলোতে।
এর আগে সকাল থেকে বিভাগের বিভিন্ন এলাকা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সভাস্থলে আসতে থাকেন নেতাকর্মীরা। তাদের হাতে রয়েছে বিভিন্ন ব্যানার-ফেস্টুন। দুপুর ১২টার মধ্যে রাজশাহী পরিণত হয় মিছিলেন নগরীতে।
মাদ্রাসা মাঠ ও চারপাশের এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা জনসভাস্থলে আসতে থাকেন। সাড়ে ১০টার মধ্যে সভাস্থল কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যাওয়ায় নেতাকর্মীরা পাশের ঐতিহাসিক শাহ মখদুম (রহ.) ঈদগাহ মাঠে জড়ো হন। বেলা ১১টার মধ্যে ঈদগাহ মাঠও কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। দুপুর ১২টার দিকে জনসভাস্থলে আসা জনতার ঢল মাদ্রাসা মাঠ ও ঈদগাহ ময়দান ছাপিয়ে আশপাশের সড়কে ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে ঘোষপাড়া মোড়, সিঅ্যান্ডবি মোড়, লক্ষ্মীপুর মোড়সহ আশপাশের সড়কে হাজার হাজার নেতাকর্মী প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ শোনার জন্য অধির আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।
নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম শিমুলের সমর্থক আবুল হোসেন বলেন, ‘আমার নেতৃত্বে নাটোর থেকে ১০ হাজার নেতাকর্মী রাজশাহীর ঐতিহাসিক জনসভায় এসেছেন। আমরা পৌঁছে দেখি মাদ্রাসা মাঠ ও ঈদগাহ ময়দান কানায় কানায় পূর্ণ। তাই বাধ্য হয়ে ঈদগাহ মাঠের রাস্তায় ১০ হাজার নেতাকর্মী নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মূল্যবান ভাষণ শোনার জন্য অপেক্ষা করছি।’
এদিকে সকালেই রাজশাহী মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড থেকে আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা মাদ্রাসা মাঠে প্রবেশ করেছেন। খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে রাজশাহীর বিভিন্ন উপজেলাসহ বিভাগের অন্যান্য জেলা থেকে আসা নেতাকর্মীরা মাদ্রাসা মাঠ ও আশপাশের এলাকার ছুটছেন। এলাকা ভেদে বিভিন্ন রঙের শার্ট, টি-শার্ট ও টুপি পরে নানা ধরনের বাদ্যযন্ত্র নিয়ে তারা জনসভাস্থলের দিকে রওনা দিয়েছেন।
আর নেতাকর্মীদের একের পর এক স্লোগানে মাদ্রাসা মাঠের আশপাশের এলাকা মুখর হয়ে উঠেছে। জনসভাস্থল ছাড়াও রাজশাহী মহানগরীর প্রতিটি সড়ক লোকে লোকারণ্য হয়ে গেছে।
রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য মো. আব্দুল ওয়াদুদ দারা বলেন, ‘আমরা প্রচ