বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৭ সালের মধ্যে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকি সিঙ্গাপুরে এমপি হানজালার সঙ্গে বিকেএম নেতাদের সাক্ষাৎ ১৫ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি নিউইয়র্কে পীর সাহেব চরমোনাইকে উষ্ণ অভ্যর্থনা এ সপ্তাহে মসজিদুল হারামের খতিব জুহানি, মসজিদে নববীতে হুযাইফি ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় ৫ হাজারের বেশি মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত! ইসলামী আন্দোলনের বায়তুল মাল মাসে এক লাখ টাকার কুপন সংগ্রহ বিড়াল কেনা-বেচা ও লালন-পালনের শরয়ি বিধান পরিবারকে আর্থিক সুরক্ষা দিতে গিয়ে সুদের ফাঁদে পড়ছেন না তো? 

জানাযার নামাজে সুরা ফাতিহা পড়ার বিধান কী?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি ওমর ফারুক ইব্রাহিমী।।। উস্তাযজি শাইখুল ইসলাম মুফতি মুহাম্মদ তাকি উসমানি হাফি. সেদিন মুফতি রফি উসমানি রহ. এর জানাযার নামাযে সূরা ফাতিহা পড়েছেন। এই নিয়ে তুমুল বিতর্ক আরও আগেই চোখে পড়েছে। কেউ কেউ তো এও বলেছেন, আল্লামা তাকি উসমানি ভুল করেছেন!

আমি দারুল উলুম থাকাকালীন হযরতের পেছনে অসংখ্য জানাযার নামায পড়েছি। সবসময়ই দেখেছি, তিনি জানাযার প্রথম তাকবীরের পর সূরা ফাতিহা পড়েন। সুতরাং আমি তাঁর এই আমলের ব্যাপারে খুব ভালো করেই ওয়াকিবহাল। এই ব্যাপারে ফিকহে হানাফির কিতাবাদি আরো আগেই আমার দেখা হয়ে গেছে। তাই এই বিতর্কে কর্নপাত করা বিলকুল প্রয়োজন মনে করিনি।

তাছাড়া হযরত যেটার উপর দৃঢ়ভাবে আমল করবেন সেখানে আমাদের চুনোপুঁটিদের এতো বিতর্ক সৃষ্টি করার কিছু আছে বলেও আমি মনে করিনা। তবুও যারা আমাকে এই ব্যাপারে জিজ্ঞেস করেছেন তাদের জ্ঞাতার্থে শুধু কয়েকটি কিতাবের হাওয়ালা ও রেফারেন্স উল্লেখ করছি। এগুলো ফিকহে হানাফির সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য কিতাব।

এসব কিতাবে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে, হানাফি মাযহাবে দোয়া হিসেবে সূরা ফাতিহা পাঠ করা জায়েয আছে। কোন সমস্যা নেই। বরং কেউ কেউ এটাকে সুন্নত বলেছেন। সুতরাং এই নিয়ে এতো বিতর্কের কিছু নেই।

রেফারেন্স সমূহ- আদ্দুররুল মুখতার (ফতওয়া শামী) বাবু সালাতিল জানাইয, ১ম খণ্ড, পৃষ্ঠা ৮১৭। ফাতওয়া আলমগীরী, ১ম খণ্ড, ১৪৭ পৃষ্ঠা। মুহীত্ব আস-সারাখসী, ১ম খণ্ড, ১৬৪ পৃষ্ঠা। *বাদাইয়ূস--সানায়ে', খণ্ড ২, পৃষ্ঠা ৫২। ফাতওয়া দারুলউলুম দেওবন্দ, কিতাবুল জানাইয, ৫ম খণ্ড, ২১০ পৃষ্ঠা।

এছাড়াও- কিফায়াতুল মুফতী, ফাতাওয়া রহীমিয়াহ, আহসানুল ফাতাওয়া, ফাতাওয়া মাহমূদিয়াহ এবং ফাতাওয়া হাক্কানিয়াহ সহ সলফ ও খলফের সব কিতাবে এর সুস্পষ্ট বিবরণ এসেছে।

তাছাড়া হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযি. থেকেও জানাযার নামাযে সূরা ফাতিহা পড়ার কথা বর্ণিত আছে।

হাসান রহ. বলেছেন, শিশুর জানাযার সালাতে সূরা ফাতিহা তিলাওয়াত করবে এবং দু‘আ পড়বে। হে আল্লাহ্! তাকে আমাদের জন্য অগ্রে প্রেরিত, অগ্রগামী এবং আমাদের পুরস্কার স্বরূপ গ্রহণ কর।

বুখারি-১৩৩৫. ত্বলহাহ্ ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আওফ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর পিছনে জানাযার সালাত আদায় করলাম। তাতে তিনি সূরা ফাতিহা পাঠ করলেন এবং (সালাত শেষে) বললেন, (আমি সূরা ফাতিহা পাঠ করলাম) যাতে লোকেরা জানতে পারে যে, এটা সুন্নাত। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১২৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১২৫৪)

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ