শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ডেঙ্গুর টিকা আনতে উদ্যোগ নেবে ডিএসসিসি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ৩০ পেরিয়েছেন? সুস্থ থাকতে গড়ে তুলুন ৭ অভ্যাস জমজমের বরকতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা দেশমাতৃকা উলামায়ে কেরামের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজদের মধ্যে ব্রেইল কুরআন ও সাদাছড়ি বিতরণ দেশে ফিরেছেন সৌদি আরবে আটকে পড়া ৫০ ওমরাহযাত্রী মাওলানা নূরুল হক রহ.-এর কবর জিয়ারত করলেন খেলাফত মজলিস আমির ঢাবির গবেষকদের ‘স্মার্ট ফাঁদে’ শনাক্ত হবে এডিস মশার বিস্তার

বিএনপি ভারতে গিয়ে দেশের কথা বলতে ভুলে গিয়েছিলো : তথ্যমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: বিএনপিই ভারতে গিয়ে দেশের কথা বলতে ভুলে গিয়েছিলো, ভারত থেকে যা আদায় সেটি আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনাই করেছেন বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

আজ মঙ্গলবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে একথা বলেন তিনি।

সাংবাদিকদের এ সম্পর্কিত প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ‘গতকাল মির্জা ফখরুল সাহেব প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে যা বলেছেন সেটি বিএনপি এবং বেগম খালেদা জিয়ার বেলায় প্রযোজ্য। আপনাদের মনে আছে, বেগম খালেদা জিয়া ভারত সফর থেকে আসার পর তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিলো গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা নিয়ে কি কথা হয়েছে। তখন বেগম জিয়া বলেছিলেন- আল্লাহ আমি তো ওটা ভুলেই গিয়েছিলাম। যাদের নেত্রী ভারত সফরে গিয়ে গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যার কথা বলতে ভুলে যায়, তারাই সবসময় ভারতকে সব দিয়েছে, কিছু আদায় করতে পারে নাই।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার সরকারের সাথে ভারতের সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার, রক্তের অক্ষরে লেখা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে আমাদের দু’দেশের সম্পর্ক ন্যায্যতার ভিত্তিতে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে নতুন উচ্চতায় উন্নীত হয়েছে। আমাদের সরকার ভারত থেকে অনেক কিছু আদায় করেছে। প্রধানমন্ত্রী পরপর তিনবার রাষ্ট্র ক্ষমতা পরিচালনার প্রথমবার তামাক জাতীয় পণ্যসহ মাত্র ২০টি পণ্য বাদে সকল পণ্যের ওপর শুল্কমুক্ত রপ্তানি আদায় করেছেন।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে যে মৈত্রী চুক্তি করেছিলেন সেটির অধীনেই কিন্তু আমাদের ছিটমহলগুলো আমাদেরকে হস্তান্তর করার কথা ছিলো। মাঝখানে বিএনপি কয়েক দফা ক্ষমতায় ছিলো, এরশাদ সাহেব ক্ষমতায় ছিলো, জরুরি সরকার ক্ষমতায় ছিলো। কিন্তু কেউ এই ছিটমহলগুলোর অধিকার আদায় করতে পারেনি। ছিটমহলে লাখ লাখ মানুষের কোনো দেশের পরিচয় ছিলো না।

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকারই ভারতের সাথে আলাপ আলোচনা করে চুক্তি হওয়ার বহু দশক পরে সেটি আদায় করেছে, ছিটমহলগুলো আমাদের অধিকারে এসেছে, আমাদের দেশের আয়তন বেড়েছে। ভারতের সাথে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করে আমরা সমুদ্রসীমা জয়লাভ করেছি। সুতরাং à