সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান ১৩ মাসে হাফেজ হলো ১০ বছরের নাঈম নিকাব নিয়ে কটূক্তি: ঢাবির সেই শিক্ষিকাকে ‘লাল কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা আলোর পথের যাত্রী  সিলেট সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস

আশুরা দিবসে শোক পালনের শরয়ি বিধান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি মোজ্জাম্মেল হক রাহমানী॥

আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধ করে 'শাহাদাত বরণ' শোকের বিষয় নয়; 'শাহাদাত বরণ' আল্লাহ প্রদত্ত মহা নেয়ামত। 'শাহাদাত' এমন এক মহা দৌলত-সম্পদ, যা রাসূলুল্লাহ (সা.) নিজে আল্লাহর কাছে কামনা করেছেন এবং উম্মতকেও প্রার্থনা করতে উৎসাহিত করেছেন।

হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: “আমি আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধ করে শহীদ হতে চাই, পুনরায় আমাকে জীবন দান করা হলে, আমি আল্লাহর পথে যুদ্ধ করে শহীদ হব, পুনরায় আমাকে জীবিত করা হলে, আমি আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করব এবং আমি শহীদ হব। (মুসলিম শরীফ: ৪৯৬৭)

এজন্যই হযরত ওমর ফারুক (রা.) শাহাদাতের জন্য ক্রমাগত দোয়া করতেন (বুখারী শরীফ: ১৮৯০)। তাই হযরত হোসাইন (রা.) -এর শাহাদাতে হৃদয় দুঃখিত হওয়া ও দিল ব্যথিত হওয়া, অনিচ্ছায় চোখ থেকে অশ্রু ঝরা একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, এতে ধৈর্য ধারণ করা মুসলমানদের ঐতিহ্য-আদর্শ। উচ্চস্বরে চিৎকার ও বিলাপের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক শোক-দুঃখ প্রকাশ করা ইসলামে হারাম ও নিষিদ্ধ।

এ সম্পর্কে আল্লামা ইবনে কাসীর (রহ.) লিখেছেন: হযরত হোসাইন (রা.) -এর শাহাদাতে শোকাহত হওয়া প্রত্যেক মুসলমানের জন্য উচিত, কারণ তিনি ছিলেন মুসলমানদের নেতাদের একজন এবং আহলে ইলেম সাহাবীদের অন্যতম। তিনি ছিলেন রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর আদরের প্রিয় নাতি, বড় ইবাদতগুজার, অত্যন্ত সাহসী ও খুবই উদার।

তবে তাঁর শাহাদাত বার্ষিকীতে এমন শোক উদযাপন করা যাবে না, যেমন রাফেজিরা করে। কারণ তাঁর পিতা হযরত আলী (রা.), যিনি তাঁর চেয়ে উত্তম ছিলেন, ১৭ ই রমজান ৪০ হিজরি সনে, শুক্রবার ফজরের নামাজে যাওয়ার সময় শাহাদাত বরণ করেন। হযরত হাসান-হোসাইনসহ কোনো সাহাবায়ে কেরাম (রা.) তাঁর শাহাদাত বার্ষিকীতে কখনো শোক উদযাপন করেননি।

একইভাবে হযরত উসমান গণি (রা.), যিনি আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াতের মতে হযরত আলীর চেয়ে উত্তম ছিলেন, পঁয়ত্রিশ হিজরি সনে ঈদুল আযহার পর নিজ বাড়িতে শাহাদাত বরণ করেন। কিন্তু তাঁর শাহাদাত বার্ষিকীতে কোনো সাহাবায়ে কেরাম (রা.) শোক উদযাপন করেননি। হযরত উমর বিন খাত্তাব (রা.) হযরত উসমান ও হযরত আলীর (রা.) চেয়ে উত্তম ছিলেন, মসজিদে নববীর মেহরাবে নামাজে কেরাত পাঠরত অবস্থায় শাহাদাত বরণ করেন।

কিন্তু তাঁর শাহাদাত বার্ষিকীতে কোনো সাহাবায়ে কেরাম (রা.) শোক উদযাপন করেননি। স্বয়ং রাসূলুল্লাহ (সা.) যিনি দুনিয়া ও আখেরাতে গোটা মানবজাতির নেতা, তাঁর মৃত্যু দিবসকে কà