সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৮ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ২০ জুলাই মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালনের নির্দেশ শিশুদের মতো আদর-যত্নে গাছের পরিচর্যার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর  কুমিল্লা জেলার দ্বীনিয়াত মুআল্লিম জোড় সম্পন্ন কেন্দ্রীয় নূরানী তালীমুল কুরআন মাদরাসার উস্তাদ আব্দুল জলিলের ইন্তেকাল ইউরোপে তীব্র তাপপ্রবাহে এক সপ্তাহে ১০ হাজার মৃত্যু বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা নিয়ে পাশে থাকার আহ্বান জাতীয় ইমাম পরিষদের ‘বিএনপির সঙ্গে সমঝোতা ছিল দেশের স্বার্থে, পদ-পদবি পাওয়ার জন্য নয়’ সন্ধ্যার মধ্যে ১৯ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা  মুসলিম আন্দালুসের কৃষি বিপ্লব: স্বর্ণযুগের গৌরবগাথা

বউয়ের ওপর শ্বশুর ও শ্বাশুরীর সেবা করা করা কি জরুরি?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানতে চেয়েছেন, আমি আমার স্বামীর সাথে ঢাকা থাকি। আর আমার শ্বশুর-শ্বাশুরি অন্য জেলায়। আমার বছরে দুইবার যাই। ওনারা আসেন না। ওনারা প্রায়ই বলেন, আমি যেন ওখানে কিছুদিন থাকি আমার স্বামী ছাড়া। কিন্তু আমি চাই না ওনাকে রেখে থাকতে। আমার নিজের মা কাছাকাছি থাকেন। ওনারা বলেন আমার মা আমার স্বামীর দেখভাল করবেন। কিন্তু আমি তাতে সন্তুষ্ট না।

আমার স্বামীও বলেন কিছুদিন ওখানে থাকতে। আমি রাজি না। এমনিতে আমি প্রতিদিন ওনাদের খোঁজ নেই। কিন্তু আমার এত দূরে গিয়ে থাকতে ভালো লাগে না।

আমি জানতে চাই আমি কি আমার স্বামী ছেড়ে ওখানে গিয়ে থাকতে বাধ্য? আমার কার প্রতি দায়িত্ব বেশি? আমার স্বামী না শ্বাশুরি?

উত্তর: বিয়ের পর অবশ্যই আপনার স্বামীর সেবা ও খিদমাতের প্রতিই আপনার দায়িত্ব হলো প্রধান। শ্বশুর বা শ্বাশুরীর নয়। কিন্তু শ্বশুর ও শ্বাশুরীর সাথে সুন্দর আখলাক ও উত্তম আচরণ করাই শরীয়তের চাহিদা।

তবে আপনি স্বামীকে ছেড়ে শ্বাশুরীর সাথে থাকতে বাধ্য নন। কিন্তু মাঝে মাঝে প্রয়োজনে থাকা উচিত। এতে করে সংসারে আত্মীয়তার মাঝে সম্প্রীতি ও মোহাব্বত বৃদ্ধি পায়। ভারসাম্যতা বজায় থাকে। সূত্র: আহলে হক মিডিয়া

ليس للرجل أن يستخدم امرأته الحرة (المطيح البرهانى-4/237، رقم-4151، الفتاوى التاترخانية-4/309، رقم-6271)

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ