শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা যাদের, নমিনেশনে অগ্রাধিকার তাদের : রিজভী পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু হতে পারে বিকেলে মাঝপথে ইঞ্জিন বিকল, আড়াই ঘণ্টা বিলম্বে বলাকা কমিউটারের যাত্রা জিয়া সরণি খালকে বুড়িগঙ্গার সঙ্গে যুক্ত করতে বরাদ্দ ৩০০ কোটি টাকা পাকিস্তানে পৌঁছেছে মার্কিন প্রতিনিধিদল তাপমাত্রা বাড়ার ইঙ্গিত, সপ্তাহের মাঝামাঝি বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস কৃষক-ভোক্তার সরাসরি সংযোগে স্বস্তি আসবে বাজারে: বাণিজ্যমন্ত্রী গুজব ও যাচাইবিহীন তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকুন: কাবার ইমাম সৌদি আরবে দেয়াল চাপা পড়ে বাংলাদেশি তরুণের মৃত্যু মুন্সিগঞ্জে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের দায়িত্বশীল বৈঠক অনুষ্ঠিত

বউয়ের ওপর শ্বশুর ও শ্বাশুরীর সেবা করা করা কি জরুরি?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানতে চেয়েছেন, আমি আমার স্বামীর সাথে ঢাকা থাকি। আর আমার শ্বশুর-শ্বাশুরি অন্য জেলায়। আমার বছরে দুইবার যাই। ওনারা আসেন না। ওনারা প্রায়ই বলেন, আমি যেন ওখানে কিছুদিন থাকি আমার স্বামী ছাড়া। কিন্তু আমি চাই না ওনাকে রেখে থাকতে। আমার নিজের মা কাছাকাছি থাকেন। ওনারা বলেন আমার মা আমার স্বামীর দেখভাল করবেন। কিন্তু আমি তাতে সন্তুষ্ট না।

আমার স্বামীও বলেন কিছুদিন ওখানে থাকতে। আমি রাজি না। এমনিতে আমি প্রতিদিন ওনাদের খোঁজ নেই। কিন্তু আমার এত দূরে গিয়ে থাকতে ভালো লাগে না।

আমি জানতে চাই আমি কি আমার স্বামী ছেড়ে ওখানে গিয়ে থাকতে বাধ্য? আমার কার প্রতি দায়িত্ব বেশি? আমার স্বামী না শ্বাশুরি?

উত্তর: বিয়ের পর অবশ্যই আপনার স্বামীর সেবা ও খিদমাতের প্রতিই আপনার দায়িত্ব হলো প্রধান। শ্বশুর বা শ্বাশুরীর নয়। কিন্তু শ্বশুর ও শ্বাশুরীর সাথে সুন্দর আখলাক ও উত্তম আচরণ করাই শরীয়তের চাহিদা।

তবে আপনি স্বামীকে ছেড়ে শ্বাশুরীর সাথে থাকতে বাধ্য নন। কিন্তু মাঝে মাঝে প্রয়োজনে থাকা উচিত। এতে করে সংসারে আত্মীয়তার মাঝে সম্প্রীতি ও মোহাব্বত বৃদ্ধি পায়। ভারসাম্যতা বজায় থাকে। সূত্র: আহলে হক মিডিয়া

ليس للرجل أن يستخدم امرأته الحرة (المطيح البرهانى-4/237، رقم-4151، الفتاوى التاترخانية-4/309، رقم-6271)

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ