মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৪ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
৩৯ হাজার আখচাষিকে প্রণোদনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নেত্রকোনায় কানিজ নেওয়াজ মাদরাসায় ১১ পদে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ মসজিদুল হারামে তাওয়াফ-সাঈতে বৈদ্যুতিক যানের ভাড়া কত যুক্তরাষ্ট্রের কারাগারে ইসলামের পথে বন্দীরা, কী বলছে গবেষণা? আঞ্জুমানে হেফাজতে ইসলামের ইসলাহি ইজতেমা সফল করতে কেরানীগঞ্জে আলেমদের সঙ্গে মতবিনিময় এশার জামাতে তৃতীয় রাকাতের সেজদায় গিয়ে আর উঠলেন না তিনি নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিলে পীর সাহেব চরমোনাই ‘শিগগিরই প্যারিস মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ শহর হবে’, মন্তব্য ট্রাম্পের সবাইকে সঙ্গে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে চান প্রধানমন্ত্রী প্রতিদিন কয়টি ডিম খাওয়া ভালো? 

চীনে ইস*লাম ধর্মবি*শ্বাসের প্রমাণ পেলেই কারাদণ্ড: বিবিসি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: চীন সরকারের কম্পিউটার হ্যাক করে সংগ্রহ করা বিপুল পরিমাণ তথ্য যা বিবিসির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

তাতে চীনের প্রত্যন্ত পশ্চিমাঞ্চলের জিনজিয়াং প্রদেশে মুসলিমদের আটক কেন্দ্রে রেখে দেওয়ার গোপন প্রক্রিয়া সম্পর্কে নজিরবিহীন তথ্য সামনে এসেছে।

নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা এধরনের অনেকগুলো নথি থেকে দেখা গেছে, দেশটির সংখ্যালঘু উইঘুর এবং টার্কিক সম্প্রদায়ের মানুষদের ইসলামী ধর্মবিশ্বাসের কোনো রকম চিহ্ন দেখা গেলে তাদের দীর্ঘ কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

ওই এলাকার পুলিশের কম্পিউটার সার্ভার হ্যাক করে জোগাড় করা বিশাল এই তথ্যভাণ্ডারে রয়েছে, জিনজিয়াং-এর চূড়ান্ত গোপনীয়তায় ঢাকা পদ্ধতির একেবারে কেন্দ্রে থাকা হাজার হাজার ফটোগ্রাফ এবং আটক কেন্দ্র থেকে পালানোর চেষ্টা করলেই গুলি করে হত্যার নীতি বিষয়ক নানা সাক্ষ্যপ্রমাণ।

ফাঁস হওয়া কিছু কিছু ছবিতে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের দেখা যাচ্ছে, বন্দীদের মাথায় কালো হুড এবং শরীরে শেকল বেঁধে নতি স্বীকারে বাধ্য করার কৌশল প্রয়োগ করতে। জিনজিয়াং পুলিশ ফাইল নামে পরিচিত এইসব নথি বিবিসির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে এ বছরের গোড়ার দিকে।

গত কয়েক মাস ধরে এসব নথ্যির সত্যতা যাচাই ও অনুসন্ধানের মধ্যে দিয়ে বেরিয়ে এসেছে ওই এলাকায় উইঘুর এবং টার্কিক সম্প্রদায়ের মানুষদের ধর্ম ও সংস্কৃতির যে কোনোরকম চিহ্ন দেখলেই তাদের বন্দী করার প্রক্রিয়া নিয়ে ভেতরের গুরুত্বপূর্ণ নানা তথ‍্য - যেসব তথ্য আদানপ্রদানের প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত আছেন এমনকি চীনা নেতা শি জিনপিংও।

গোপন এসব দলিল প্রকাশ করা হল এমন এক সময় যখন জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনার মিশেল ব্যাশেলেট চীনের জনজিয়াং সফরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

এক বিবৃতিতে চীন সরকার বিবিসিকে বলেছে, চীন সরকার সন্ত্রাস দমন পদক্ষেপ নেবার ফলে জিনজিয়াংয়ে যে শান্তি ও সমৃদ্ধি এসেছে তা, তাদের ভাষায়, সবরকম 'মিথ্য প্রচারণার' সবচেয়ে ভালো জবাব।

চীন সরকার দাবি করে যে, জিনজিয়াং জুড়ে ২০১৭ সালে এই 'সংশোধন কেন্দ্রগুলো' তৈরি করা হয় এবং তাদের বক্তব্য অনুযায়ী এগুলো নিছকই স্কুল।

কিন্তু হ্যাক করা দলিলে অভ্যন্তরীণ পুলিশ বাহিনীর প্রতি নির্দেশ, রক্ষীদের ডিউটির সময় এবং বন্দীদের অবস্থার যেসব ছবি প্রথমবারের মত সামনে এসেছে তাতে এগুলোকে নিছক স্কুল বলা চলে না বলে বিবিসি বলছে। সূত্র: ইকনা

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ