মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৪ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
আইএবি ঢাকা দক্ষিণের মহিলা ইউনিটের ২৩ সদস্যের কমিটি ঘোষণা জেদ্দা বিমানবন্দরের নর্থ টার্মিনালের ফ্লাইট স্থানান্তর, হজ-ওমরাহ যাত্রীদের জন্য নির্দেশনা সেবার আলো মাওলানা সাজ্জাদ নোমানির নেতৃত্বে বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের নেতাদের বৈঠক দেশের ইসলামী স্কুলগুলো বড় আশীর্বাদ: মাসউদুল কাদির গণপিটুনি ও রাজনৈতিক সহিংসতায় মৃত্যু সরকারের ব্যর্থতার প্রমাণ: গাজী আতাউর রহমান রাষ্ট্রপতি ও এলজিআরডি মন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি খতমে নবুওয়ত মহাসচিবের বৃহস্পতিবার বন্ধ থাকবে আল-হাইআতুল উলয়ার কার্যক্রম মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড নিয়ে ভাইরাল ভিডিওটি ‘ভুয়া’: সৌদি ‘গত ১৬ বছরে দেশে ব্যাপক লুটপাট হয়েছে, দুর্নীতিবাজদের বিচার ধীরে ধীরে হবে’

চট্টগ্রামে পুলিশ সদস্যের কবজি বিচ্ছিন্ন করা আসামি গুলিবিদ্ধ অবস্থায় গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: চট্টগ্রামে পুলিশ কনস্টেবলের কবজি বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া আসামি কবির আহামদকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে লোহাগাড়া উপজেলার বড় হাতিয়া পাহাড়ি এলাকা থেকে তাকে এক সহযোগীসহ গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার কবির আহামদ (৩৫) লোহাগাড়া উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের লালারখিল এলাকার আলী হোসেনের ছেলে। তার সহযোগীর নাম জানাতে পারেনি র‌্যাব।

বিষয়টি নিশ্চিত করে র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক নূরুল আবছার বলেন, পুলিশ সদস্যের কবজি বিচ্ছিনের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার ছায়া তদন্ত শুরু করে র‌্যাব। আসামিদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি চালানো হয়। বৃহস্পতিবার ঘটনার মূল হোতা কবিরের লোহাগাড়া পাহাড়ি এলাকায় অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালানো হয়।র সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি চালানো শুরু করে সন্ত্রাসীরা। আত্মরক্ষার্থে র‌্যাব সদস্যরাও গুলি ছুঁড়ে। এক পর্যায়ে পিছু হটে সন্ত্রাসীরা। ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ঘটনার মূল হোতা কুখ্যাত সন্ত্রাসী কবির ও তার এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিস্তারিত শুক্রবার জানানো হবে।

প্রসঙ্গত, গত রোববার সকালে চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার লালারখিল এলাকায় মারামারি মামলার আসামি কবির আহামদকে গ্রেপ্তার করতে যায় পুলিশ। গ্রেপ্তার এড়াতে অভিযানে থাকা কনস্টেবল জনি খান ও মামলার বাদী আবুল হোসেনকে দা দিয়ে কোপ দেন কবির। এতে পুলিশ সদস্য জনি খানের বাম হাতের কবজি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ওইদিন রাতে বান্দরবানের লামা উপজেলার কেয়াজুপাড়া এলাকা থেকে কবিরের স্ত্রী রুবি আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই ঘটনায় তিনজনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত ৭-৮জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে পুলিশ। আহত কনস্টেবল জনি খানের কবজি সংযোজন করা হয়েছে। তিনি এখন রাজধানীর বেসরকারি আল মানার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ