নুরুদ্দীন তাসলিম।।
২০২১-এর শেষ পাঁচ মাসে একেএকে ইন্তেকাল করেছেন বর্ষীয়ান আলেম, নেতা বিদগ্ধ ফকিহ প্রথিতযশা সাহিত্যিকদের অনেকেই। তাদের নিয়ে আজকের এই আয়োজন।
আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী রহ.
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমীর, হাটহাজারী মাদরাসার শাইখুল হাদীস আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী রহ. (বৃহস্পতিবার) ২২ আগষ্ট চট্টগ্রামের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছিলেন।
জুনায়েদ বাবুনগরী রহ.-এর জন্ম ১৯৫৫ সালে, চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি থানার বাবুনগর গ্রামে। ৫ বছর বয়সে তিনি জামিয়া বাবুনগর মাদ্রাসায় ভর্তি হন। এরপর ১০ বছর আল্-জামিয়াতুল আহ্লিয়া দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদ্রাসায় অতিবাহিত করেন। ২০ বছর বয়সে তিনি পাকিস্তানের দারুল উলুম করাচি মাদরাসায় ভর্তি হন।
১৯৭৮ এর শেষের দিকে তিনি পাকিস্তান থেকে দেশে ফিরে আসেন। দেশে আসার পর প্রথমে আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় শিক্ষকতা আরম্ভ করেন। সেখানে একটানা ২২ বছর খেদমত করেছেন।
বিভিন্ন কিতাবাদীর পাশাপাশি তিনি বুখারী শরীফ পর্যন্ত দরস দিয়েছেন। ২০০৩ সালে তাঁকে দারুল উলুম হাটহাজারী মাদ্রাসায় ডাকা হয়। তখন থেকে এ পর্যন্ত হাটাহাজারী মাদ্রাসার খেদমতে নিয়োজিত ছিলেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি বিভিন্ন বিষয়ে আরবি, বাংলা ও উর্দু ভাষায় বেশ কিছু কিতাবাদিও রচনা করেছেন।
মুফতিয়ে আজম আব্দুস সালাম চাটগামী রহ.
হাটহাজারী মাদ্রাসার মজলিসে এদারির প্রধান মুফতিয়ে আজম আব্দুস সালাম চাটগামী (বুধবার) ৮ সেপ্টেম্বর ইন্তেকাল করেছিলেন। ইন্তেকালের দিন সকাল ১১ টায় হঠাৎ করে তিনি অজ্ঞান হয়ে যান।
মুফতিয়ে আজম আব্দুস সালাম চাটগামীর ইন্তেকালের খবর এমন সময় এসেছিল যখন প্রায় এক বছর পর দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদরাসার মহাপরিচালক, সহযোগী ও সহকারী মহাপরিচালক, শিক্ষা সচিব, শায়খুল হাদিস এবং মজলিসে শুরার শূন্যপদে কাকে নিয়োগ দেওয়া হবে তা নিয়ে শুরা কমিটির বৈঠক চলছিল।
মুফতিয়ে আজম আব্দুস সালাম চাটগামী রহ. ১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দের উচ্চ শিক্ষার জন্য পাকিস্তানের বিখ্যাত জামেয়াতুল উলুম আল ইসলামিয়া আল্লামা বানূরী টাউন করাচিতে ভর্তি হন। সেখানে উচ্চতর হাদীস ও ফেকাহ নিয়ে পড়াশুনা করেন।
পড়াশুনা শেষেই ঐ জামেয়াতেই কার্যকরি মুফতি হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়।
আল্লামা আব্দুস সালাম