মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিন শেষ হয়ে এলে  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান

হাফেজে কোরআনদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

।।মাওলানা মুহাম্মাদ আব্দুল মালেক।।

كِتٰبٌ اَنْزَلْنٰهُ اِلَیْكَ مُبٰرَكٌ لِّیَدَّبَّرُوْۤا اٰیٰتِهٖ وَ لِیَتَذَكَّرَ اُولُوا الْاَلْبَابِ

কুরআন বরকতপূর্ণ ঐ কিতাব, যা আমি নাযিল করেছি, যাতে কুরআনের আয়াতগুলোকে নিয়ে তারা চিন্তা করে। -সূরা ছদ (৩৮) : ২৯

এ আয়াতে আমার আল্লাহ আমাকে কী হেদায়েত দান করেছেন? এ আয়াতে আল্লাহ আমাকে কী বলেছেন? এ আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহ আমার কাছে কী চেয়েছেন? কী চান? যারা জ্ঞানী তারা যেন এখান থেকে উপদেশ গ্রহণ করে। যারা বুদ্ধিমান তারাই তো কুরআন নিয়ে ব্যস্ত থাকে। আয়াতে বলা হয়েছে, কুরআনের শুধু অর্থ জানা থাকলেই চলবে না। কুরআন নিয়ে ভাবতে হবে।

এই ঢাকাতেই বাস করে খুলনার এক ভদ্রলোক, আল্লাহ তাকে হেদায়েত দান করুন; সে বলে, কুরআন না বুঝে পড়া গোনাহ। অর্থ যে কোনো ভাষা থেকেই বুঝে পড়–ক তাহলে আর গোনাহ হবে না। আগের কিছু বক্র মেযাজের লোক বলত, কুরআন না বুঝে পড়লে কোনো ফায়দা নেই। সে আরো অগ্রসর হয়ে বলে, না বুঝে পড়লে গোনাহ। আশংকার কথা হল, আমাদের অনেকে তার ভক্ত হয়ে গেছে।

কুরআন না বুঝে পড়া গোনাহ এই যে কুফরী চিন্তা সে আবিষ্কার করেছে, এর পক্ষে সে অনেক আয়াতও পেশ করে। যেসব আয়াতে বলা হয়েছে- أَفَلا يَتَدَبَّرُونَ الْقُرْآنَ তারা কি কুরআন নিয়ে ভাবে না? এইসব আয়াত সে পেশ করে। লোকটার বুঝের স্বল্পতা দেখুন! আরবের কাফেররা কি কুরআনের অর্থ বুঝত না? বুঝত। কিন্তু তাদাব্বুর-চিন্তা-ভাবনা করত না। চিন্তা-ভাবনা যদি করত তাহলে বুঝে ফেলত এটা আল্লাহ্র পক্ষ থেকে। যারা তাদাব্বুর করেছে বুঝেছে। কিন্তু হঠকারিতা করেছে।

তার কথা হল, অর্থ বুঝে পড়তে হবে। আমি বলি, তাদাব্বুর তো অর্থ বুঝা না। তাদাব্বুর হল অর্থ বুঝার পরের পর্যায়। অর্থ বোঝা- এটা তো স্বাভাবিক একটা পর্যায়। তাদাব্বুরের মানে হল, তুমি অর্থ বোঝার উপরই ক্ষান্ত হয়ো না। তুমি দেখ তোমার কাছে এ আয়াতে কী চাওয়া হয়েছে? وَ لِیَتَذَكَّرَ اُولُوا الْاَلْبَابِ এতে তোমার প্রতি কী বার্তা রয়েছে, ঐ বার্তাটা তুমি গ্রহণ কর, নিজের যিন্দেগীতে বাস্তবায়ন কর। নিজের জীবন বানাও।

কুরআনুল কারীম বরকতপূর্ণ। কুরআনের শব্দের মধ্যেও বরকত আছে। শব্দগুলো যদি তিলাওয়াত করে- এটাতে আলো আছে, বরকত আছে, ফায়দা আছে। এর সওয়াব আছে। কিন্তু আল্লাহ তাঁর বান্দাদের কাছে শুধু এতটুকু চাননি যে, তিলাওয়াত করে সওয়াব হাসিল করবে। বরং এক নম্বরে যেটা চান সেটা হল, নিজের জীবনকে কুরআনী জীবন বানানো। এই যে ঈমানী যিন্দেগী, সেটা কুরআনী যিন্দেগীরই আরেক নà¦