রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬ ।। ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে অবরোধ প্রত্যাহার শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৩৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন বিচার বিভাগকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতি: আইনমন্ত্রী অচিনপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিশ্চিহ্ন প্রায় ৩০০ পরিবার কোরআনের আলো ছড়ানোর আগেই সড়কে নিভল হাফেজ দম্পতি ও শিশুকন্যার প্রাণ নরসিংদীতে দুই মাহফিলে বয়ান করবেন আওলাদে রাসূল মাওলানা মাহমুদ মাদানী যুদ্ধ কেড়ে নিয়েছে ঘর, বৃষ্টি কেড়ে নিচ্ছে গাজাবাসীর শেষ আশ্রয়টুকুও! ইসলামী যুব আন্দোলন হবিগঞ্জ জেলা শাখার নতুন কমিটি ঘোষণা বেশি সম্পদ নয়, তৃপ্তি ও কৃতজ্ঞতাই প্রকৃত সফলতা: মসজিদে নববির খতিব

আপিল নিষ্পত্তির আগেই দুই আসামির ফাঁসি কার্যকর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: আপিল নিষ্পত্তির আগেই হত্যা মামলায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। অথচ সেই মামলায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিল শুনানি আজ বুধবার (৩ নভেম্বর) আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় ১১ নম্বরে ছিল।

অথচ চিরাচরিত সেই বিধি-বিধানের বাইরে গিয়ে দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আপিল নিষ্পত্তির আগেই চুয়াডাঙ্গার মোকিম ও ঝড়ু নামে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।

আসামির আইনজীবী হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড হলে তা কার্যকর করতে হাইকোর্টের অনুমতির প্রয়োজন হয়। আর হাইকোর্টে মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন হলে, কোনো পক্ষ যদি আপিল করে সেক্ষেত্রে দন্ড কার্যকরে তা নিষ্পত্তি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয় কারা কর্তৃপক্ষকে।

কিন্তু এ আপিল নিষ্পত্তির আগেই চুয়াডাঙ্গার মোকিম ও ঝড়ু নামে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে কারা কর্তৃপক্ষ। ১৯৯৪ সালে চুয়াডাঙ্গার এক ইউপি মেম্বার খুনের জেরে বিচারিক আদালত মৃত্যুদণ্ড দেয় দুই আসামিকে।

মামলার তথ্য অনুসারে, আসামি মোকিম ও ঝড়ুর বাড়ি চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায়। ১৯৯৪ সালের ২৮ জুন একই এলাকার সাবেক ইউপি মেম্বার মো. মনোয়ার হোসেন খুন হন। ওই ঘটনায় তার চাচাতো ভাই মো. অহিমউদ্দিন বাদী হয়ে ২৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার এজাহারে মোকিম ও ঝড়ুর নাম আসে।

পরে ২০০৮ সালের ১৭ এপ্রিল এ মামলার বিচারে তিন জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ, দুই জনকে যাবজ্জীবন ও অপর আসামিদের খালাস দেন চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত-২। মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্তরা হলেন—একই ইউনিয়নের তৎকালীন ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, মোকিম ও ঝড়ু।

বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ড হলে তা কার্যকরে অনুমতি প্রয়োজন হয় হাইকোর্টের। হাইকোর্টে মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন হওয়ার পর তা কার্যকরে আরও কিছু প্রক্রিয়া মেনে চলতে হয়। তবে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে মামলার কোনও পক্ষ যদি আপিল দায়ের করে সে ক্ষেত্রে তা নিষ্পত্তির জন্য অপেক্ষা করতে হয় কারা কর্তৃপক্ষকে।

বিচারিক আদালতের রায়ের পর নিয়ম অনুসারে আসামিদের মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য মামলাটি হাইকোর্টে আসে। মামলার ডেথ রেফারেন্স নম্বর ছিল ৩৯/২০০৮। শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট মোকিম ও ঝড়ুর মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখে ২০১৩ সালের ৭ জুলাই ও ৮ জুলাই মামলার রায় ঘোষণা করেন। বাকি আসামিদের খালাস দেন।

পরে মোকিম (আপিল নং- ১১১/২০১৩) ও ঝড়à