আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলায় ‘অচেনা’ এক প্রাণীর হামলায় এক মসজিদের ইমাম নিহত হয়েছেন; আহত হয়েছেন অন্তত ১২ জন। উপজেলার তালুক কেঁওয়াবাড়ি, হরিণাথপুর, কিশামত কেঁওয়াবাড়ী ও তালুকজামিরা গ্রামের মানুষ প্রায় দেড় মাস ধরে এই প্রাণীর ভয়ে তটস্থ হয়ে রয়েছেন।
অনেক অভিভাবক ভয়ে সন্তানের বিদ্যালয়ে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন। স্থানীয়দের কেউ এটিকে বলছেন শিয়াল, আবার কেউ বলছেন হায়েনা। তবে নানা জনের বর্ণনা শুনে এই প্রাণীটি ‘পাগলা শিয়াল’ বলে ধারণা করছেন পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান নয়ন।
নিহত ফেরদৌস সরকার রুকু (৫৬) হরিণাথপুর গ্রামের মসজিদের ইমাম। আহতদের মধ্যে রয়েছেন হরিণাথপুর গ্রামের আমরুল ইসলাম (৩১), সুমি বেগম (৪০), তালুক কেঁওয়াবাড়ি গ্রামের শেফালী বেগম (৩০), মুক্তা বেগম (২৮), কিশামত কেঁওয়াবাড়ী গ্রামের আফছার আলী (৩৫), ব্রাহ্মভিটা গ্রামের হামিদ মিয়া (৪০), হরিণাথপুর গ্রামের মনজিলা বেগম (৫০), তালুক কেঁওয়াবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র মো. রাব্বী শেখ (১০)। বাকিদের নাম জানা যায়নি।
বুধবার তালুক কেঁওয়াবাড়ি গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, মানুষের মধ্যে এক ধরনের ভয় বিরাজ করছে।
প্রাণীটি দেখতে কুকুর কিংবা শিয়ালের মতো এবং শরীরে ডোরাকাটা দাগ রয়েছে; সামনের পা দুটি ছোট; মাথা ও লেজ আকারে বড় বলে কেউ কেউ বলছেন। সুযোগ পেলে এলাকার ঝোপ-ঝাড়, জঙ্গল, ধানের জমি থেকে বেরিয়ে এসে এই প্রাণী আক্রমণ করছে বলে স্থানীয়দের ভাষ্য।
এ বিষয়ে হরিণাবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ রাকিব হোসেন বলেন, এটা কোন ধরনের প্রাণী তা বলা মুশকিল। আমরা মানুষজনকে সতর্ক থাকতে বলছি। পলাশবাড়ী থানার ওসি মো. মাসুদ রানা বলেন, “এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বন ও প্রাণিসম্পদ বিভাগকে অবিহিত করা হয়েছে।
-এটি