শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৮ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
বৃষ্টির আশায় তামিলনাড়ুতে মুসল্লিদের বিশেষ নামাজ ও মোনাজাত! জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন ৫ আগস্ট ‘নৈতিকতা, আদর্শ, সততা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে যোগ্য নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হবে’ প্রচণ্ড গরম জাহান্নামের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়: মসজিদে নববীর খতিব বিকেএমের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার তৃতীয় অধিবেশন চলছে মক্কায় বাঙালি নারী প্রতিষ্ঠিত প্রথম কওমি মাদরাসা! দুই প্রতিষ্ঠানে ‘যে গল্পে ঈমান জাগে’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন দৃষ্টির হেফাজত ঈমানের নূর ও অন্তরের প্রশান্তির উৎস: মসজিদে হারামের খতিব আলজেরিয়ায় বাস খাদে পড়ে নিহত ২৭ ছাত্রদের নেতৃত্ব গড়ে উঠতে হবে আদর্শ, নৈতিকতা ও যোগ্যতার মাধ্যমে: শায়খে চরমোনাই

ভারতের আসামে মুসলিম নিধন বন্ধ করুন: হেফাজতে ইসলাম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: ভারতের আসামে মন্দির নির্মাণের জন্য মসজিদ-মাদরাসাসহ মুসলিমদের অসংখ্য বাড়িঘর উচ্ছেদের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।

আজ সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা হফেজ নুরুল ইসলাম এই নিন্দা জানান।

হেফাজত নেতারা বলেন, আসামের দরং জেলার মুসলমানদের কাছে সব ধরনের সরকারি নথি-পত্র, দলীল-প্রমাণ ও পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও আসাম রাজ্য সরকার শুধু মন্দিরের পরিধি বাড়ানোর অজুহাতে গত কয়েক দিন ধরে সেখানে দফায় দফায় উচ্ছেদ অভিযান চালিয়ে প্রায় আটশ’ মুসলমান পরিবারের ঘরবাড়ি ও বেশ কয়েকটি মাদরাসা-মসজিদ ভেঙ্গে দিয়েছে। স্থানীয় মুসলিমরা এই ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করলে পুলিশ গুলি করে দুই জন মুসলমানকে নিহত এবং আরো অনেককে আহত করেছে।

তারা বলেন, ভারতে যেভাবে মুসলিম জনগোষ্ঠীর ওপর নির্মম নির্যাতন চালানো হচ্ছে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। ভারতের স্বাধীনতাসহ সকল বিষয়ে মুসলিমদের ঐতিহ্য ও অবদানের ইতিহাস কারো অজানা নয়।

হেফাজত আমির ও মহাসচিব বলেন, আমরা হেফাজতে ইসলামের সকল নেতা-কর্মী ও সমর্থকসহ সর্বস্তরের মুসলিম জনতার পক্ষ থেকে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও জোর প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আমাদের দাবী, অনতিবিলম্বে আসামের মুসলমানদের উপর দমন পীড়ন বন্ধ করুন এবং তাদের ভিটে-বাড়ি ফিরিয়ে দিন। এই জঘন্য ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করুন।

বিবৃতিতে তারা আরও বলেন, পত্র-পত্রিকা এবং বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত সংবাদ অনুযায়ী, ভারতের মুসলমানদের উপর সবচেয়ে বেশি দমন-পীড়ন চালানো হয়ে থাকে। মুসলমানদের উপর এরূপ আঘাত চলতে থাকলে এই অঞ্চলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আমরা মনে করি। ভারতকে এসব শ্রেণী বৈষম্য ও বিভাজন সৃষ্টিকারী সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে হবে। ভারতীয় মুসলিমদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে এবং তারা যেন সম্পূর্ণ নিরাপত্তার সাথে নির্ভয়ে বাস করতে পারে সে ব্যবস্থা করতে হবে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ