শনিবার, ০১ আগস্ট ২০২৬ ।। ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ১৮ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ৩ শিশুর মৃত্যু সেফটি ট্যাংকির দেয়াল ধসে শ্রমিকের মৃত্যু বাড়তে পারে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদীর পানি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা ‘আয়নাঘর’ বিগত সরকারের ‘ফ্যাসিবাদী’ চরিত্রের চরম বাস্তবতা: চিফ প্রসিকিউটর বৃষ্টির আশায় তামিলনাড়ুতে মুসল্লিদের বিশেষ নামাজ ও মোনাজাত! জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন ৫ আগস্ট ‘নৈতিকতা, আদর্শ, সততা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে যোগ্য নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হবে’ প্রচণ্ড গরম জাহান্নামের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়: মসজিদে নববীর খতিব বিকেএমের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার তৃতীয় অধিবেশন চলছে মক্কায় বাঙালি নারী প্রতিষ্ঠিত প্রথম কওমি মাদরাসা!

‘বিদেশে দেশের ভাবমূর্তি নষ্টকারীরা স্বাধীনতা ও উন্নয়নে বিশ্বাস করে না’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম ডেস্ক: যারা বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে চায় তারা দেশের স্বাধীনতা, উন্নয়নে বিশ্বাস করে না। এরা বাংলাদেশের সর্বনাশে বিশ্বাস করে- এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, স্বাধীনতাবিরোধীরা দেশের উন্নয়ন চোখে দেখতে পাচ্ছে না। বিএনপি-জামায়াতের টাকায় দেশের বিরুদ্ধে বিদেশের মাটিতে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় নিউইয়র্কে আওয়ামী লীগ আয়োজিত নাগরিক সভায় এ কথা বলেন তিনি। হোটেল লোটে নিউইয়র্ক প্যালেসের ভার্চুয়াল সভাকক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী এতে যুক্ত হন।

নিউইয়র্ক সফরের পঞ্চম দিনে প্রধানমন্ত্রী দেওয়া এই নাগরিক সংবর্ধনা সভায় অন্যপ্রান্তে হোটেল ম্যারিয়টে থেকে যুক্ত হন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নেতারা। মিশিগান, টেক্সাস, ক্যালিফোর্নিয়া, সানফ্রান্সিসকো, ওয়াশিংটন ডিসি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ছাড়াও বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকেও অনলাইন সংযুক্ত ছিলেন প্রবাসী আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি আর তাদের চোরা টাকা, ওই টাকার ভাগ খেয়ে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বদনাম করে কোনো লাভ হবে না। কারণ আমরা জনগণের জন্য কাজ করি। আজকে বাংলাদেশকে নিয়ে যারা বিদেশে ভাবমূর্তি নষ্ট করতে চায়, এরা আসলে বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না। এরা বাংলাদেশের উন্নয়নে বিশ্বাস করে না। এরা বাংলাদেশের সর্বনাশে বিশ্বাস করে। দেশের মানুষের শত্রু এরা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের লক্ষ্য যে, নিউইয়র্কে অন্তত আমাদের নিজেদের বিমান (বিমান বাংলাদেশ এয়ার লাইনস) আসবে। সেটা আমরা আনতে চাই। আমি বলেছি, আমরা অন্য এয়ার লাইনসকে টাকা না দিয়ে, আমাদের বিমান নিয়ে আসব। আমাদের বিমান তো দেশেও বসে আছে। কাজেই আমাদের বিমানে আসল (নিউইয়র্ক) আর টাকাটা আমাদের ঘরেই থাকল। বিমানই টাকাটা পেল। আর এতে করে আমাদের ল্যান্ডিং প্রাকটিসটাও হয়ে গেল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি শুনলাম কেউ কেউ নাকি বলেছে, আমরা নাকি কত বস্তা না কত ট্রাংক বৈদেশিক মুদ্রা নিয়েই নাকি বিমানে এসেছি। যারা এই কথাগুলো বলে, তারা যেহেতু বিষয়টা জানে, তাহলে ট্রাংকগুলো গেল কোথায়? রাখলাম কোথায়, কী করলাম? সেটা একটু খোঁজটা দিক।

এনটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ