বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
শারদীয় শুভেচ্ছা জানানোর শরয়ি বিধান উত্তর প্রদেশে বিজেপিকে ঠেকাতে জোটের প্রস্তাব ওআইসির এবার মদিনার আকাশে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, ধ্বংস করল সৌদি জোট গুলশানে দুই দিনের সুগন্ধি মেলা শুরু হচ্ছে শুক্রবার এক বছরে মাদরাসায় শিক্ষার্থী বেড়েছে ৪৩ হাজার মক্কায় মসজিদে অনৈতিক কাজ, দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হাটহাজারীতে আলেম ও তাঁর শাশুড়িকে নিয়ে অভিযোগ ভিত্তিহীন: আল-হাইআতুল উলয়া লন্ডনে আন্তর্জাতিক সম্মাননায় ভূষিত মুফতি তাকি উসমানি ২০২৭ সালের মধ্যে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকি

ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে এমন এলাকার লোকজন যেন অন্য এলাকায় না যায়: শায়েখ বান্দার বালিলা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ তামিম ও নুরুদ্দীন তাসলিম ।।

এ বছর হজে খুতবা দিয়েছেন  সৌদি আরবের সর্বোচ্চ ওলামা পরিষদের সদস্য, মসজিদুল হারামের ইমাম ও খতিব বিশিষ্ট আলেম, শায়খ ড. বান্দার বিন আবদুল আজিজ বালিলা। খুতবায় তিনি বলেন, হজ ইসলামের পাঁচ রুকনের গুরুত্বপূর্ণ একটি। সামর্থ্যবান প্রত্যেক মুসলমানকে অবশ্যই হজ আদায় করতে হবে।

তিনি বলেন, নবী সা. বলেছেন, যে এলাকায় কোন ভাইরাস বা মহামারী ছড়িয়ে পড়বে, সেখানকার বাসিন্দারা যেন অন্য কোন এলাকায় না যায় এবং অন্য এলাকার লোকেরাও যেন সে এলাকায় প্রবেশ না করে। তারা নিজের এলাকা ও এলাকার বাসিন্দাদের জন্য দোয়া করবে। যখন কেউ কারো জন্য দোয়া করে তখন ফেরেশতারাও গর্ববোধ করেন।

তিনি বলেন, যে আল্লাহ তা'আলা মানুষের সাথে সদ্ব্যবহারের আদেশ দিয়েছে। ফকির-মিসকিন, অসহায়, দুর্বল-এর সাথে অনুগ্রহ করবে। আত্মীয়-স্বজন ও পাড়া-প্রতিবেশীর খোঁজ খবর রাখবে। নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাআলা অনুগ্রহকারীদের পছন্দ করেন এবং অহংকারকারীদেরকে অপছন্দ করেন।

খুতবায় তিনি আরো বলেন,  আসা বিপদ আপদে ধৈর্য ধারণ করা উচিত। নবীজি সাল্লালাহ সালাম বলেছেন, প্রত্যেক সৎকাজের নেকি দেওয়া হবে। আল্লাহ তায়ালার জীবন ও মৃত্যুকে সৃষ্টি করেছেন যেন পরীক্ষা করেন কে নেক আমল করে এবং কে বদ আমল করে।

তিনি বলেন, মানুষের দেয়া কষ্টে ধৈর্যধারণ করাই পৃথিবীর সৌন্দর্য। দুনিয়াতে যে অনুগ্রহ করবে আখিরাতে সে এর বিনিময়ে ভাল প্রতিবাদ পাবে।

আজ (১৯ জুলাই) সোমবার মসজিদে নামিরা থেকে বাংলাদেশ সময় ৩টা ৩০ মিনিটে খুতবা শুরু করেন শায়খ ড. বান্দার বিন আবদুল আজিজ বালিলা। প্রায় ২০ মিনিটের বেশি সময় ধরে চলা মূল খুতবা আরবিতে দেয়া হয়, তবে আরও ৯ ভাষায় (সংক্ষিপ্ত পরিসরে) অনুবাদ করা হয় তা, এর মধ্যে ছিল বাংলাও। খুতবা সরাসরি সম্প্রচার করা হয় বিভিন্ন টেলিভিশন ও অনলাইন সংবাদমাধ্যমে।

আরাফাতের ময়দানে সমবেত মুসল্লিরা ১ লাখ ১০ হাজার বর্গমিটার আয়তনের মসজিদে নামিরায় আদায় করেছেন জোহর ও আসরের নামাজ। পরে তারা পা বাড়ান প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরের মুজদালিফার পথে। মাগরিব ও এশার নামাজ সেখানে পড়েন তারা। সেখানেই রাতে খোলা আকাশের নিচে ছিলেন। এটি ওয়াজিব।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ