নাজমুল হাসান সাকিব।। বৃষ্টি আল্লাহ তাআলার অফুরন্ত নিয়ামত। এর দ্বারা তিনি দুনিয়াতে বহু কল্যাণ ও রিযিকের ব্যবস্থা করেন। বৃষ্টির উপকারিতা সম্পর্কে কোরআনুল কারিমে বহু আয়াত নাযিল হয়েছে। বৃষ্টি উপভোগে মানুষের মন- দিল প্রফুল্ল হয়। আল্লাহর বিভিন্ন সৃষ্টি জীবের মাঝে প্রকাশ পায় সজীবতা ও স্বস্তির ছাপ। বৃষ্টি একদিকে যেমন রহমতের ও কল্যাণকর অপরদিকে ক্ষতিকর ও মুসিবতেররও হতে পারে। বৃষ্টি চলাকালীন রাসুল সা. যা করতেন এবং আমরা যা করবঃ- ১. আল্লাহ তাআলার রহমত কামনা করা:-
বৃষ্টি যখন মুসিবতের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অনাবৃষ্টি যখন ক্ষেত-খামার ও ফসল ইত্যাদি বিনষ্ট করে দিতে শুরু করে। এহেন পরিস্থিতিকে সামনে রেখে আল্লাহ তাআলার কাছে রহমত ও কল্যাণকর বৃষ্টি কামনা করা উচিত।
হাদিসে পাকে এসেছে আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা হতে থেকে বর্ণিত- যখন বৃষ্টি হত তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেন,
"আল্লাহুম্মা সায়্যিবান নাফি'আ" অর্থাৎ হে আল্লাহ! মুষলধারায় উপকারী বৃষ্টি বর্ষণ করুন। (বুখারী পৃষ্ঠা ১৪০, হাদিস নং ১০২২)
মুসলিম শরীফের একটি হাদিসে এসেছে, হযরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত- মেঘাচ্ছন্ন আকাশ এবং প্রচণ্ড বাতাস দেখতে পেলে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চেহারায় চিন্তার ছাপ ভেসে উঠতো। এতে তিনি এদিক-সেদিক ছোটাছুটি শুরু করে দিতেন। অতঃপর যদি বৃষ্টি হতো এতে তিনি আনন্দিত হতেন। এবং চেহারা থেকে দুশ্চিন্তার ছাপ চলে যেত।
হাদিস বিশারদগণ বলেন, মেঘলা আকাশ যখন অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে যায় এবং সাথে সাথে প্রচন্ড বাতাস বইতে থাকে তখন আল্লাহ আল্লাহর আযাব গজবের আশঙ্কা থাকে। কিন্তু বৃষ্টি হলো আল্লাহ তাআলার রহমত। এতে এরকম কোনো আশঙ্কা থাকে না। তাই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বৃষ্টি দেখে আনন্দিত হলেন। (মুসলিম ২৯৪) সুতরাং এমতাবস্থায় সবার উচিত আল্লাহর রহমত কামনা করা। যা সকল অকল্যাণ ধুয়ে মুছে দিবে।
২. বৃষ্টির পানি স্পর্শ করাঃ- বৃষ্টি উপভোগ করা এবং বৃষ্টির পানি গায়ে স্পর্শ করানো সুন্নতে নববী। মাঝে মাঝে রাসূল সা. আল্লাহর রহমতে বারিধারায় আপন শরীর মোবারক সিদ্ধ করতেন।
একটি হাদীসে বর্ণিত আছে, হযরত আনাস রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু থেকে বর্ণিত- তিনি বলেন, à¦
