বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬ ।। ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দক্ষতা উন্নয়নে আস-সুন্নাহর স্মল বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কোর্সে ভর্তি চলছে ইসলামী যুব আন্দোলন ঢাকা দক্ষিণের পূর্ণাঙ্গ কর্মপরিষদের শপথ গ্রহণ প্রধানমন্ত্রীর স্লোগানকে ‘হাদিস’ বলা সেই কর্মকর্তাকে নিজ পদ থেকে অব্যাহতি দেশের জন্য শুধু আমরাই কথা বলছি, চারদিকে নীরবতা: মাওলানা ফজলুর রহমান ৪ নভেম্বর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি রাজধানীতে বাস-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪ শ্রমিক অসন্তোষের পেছনে সরকারের ব্যর্থতাও দায়ী: ইসলামী আন্দোলন স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ে নরসিংদীতে বিকেএমের মতবিনিময় ইবতেদায়ি ও দাখিল বৃত্তি পরীক্ষা হবে ৫০৯ কেন্দ্রে মাদরাসার স্বাধীনতায় কোনো হস্তক্ষেপ মেনে নেব না: মুফতি তাকি উসমানী

কাশ্মিরে ইসরায়েলের দখল নীতি অনুসরণ করছে ভারত: পাকিস্তান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পাকিস্তান সংসদের কাশ্মির বিষয়ক কমিটির সভাপতি শেহরিয়ার খান আফ্রিদি অভিযোগ করেছেন, ভারত জম্মু ও কাশ্মিরে ইসরায়েলের দখল নীতির প্রতিফলন ঘটাচ্ছে।

শেহরিয়ার খান আফ্রিদি বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের এক সেমিনারে এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি বলেন, ‘বিশ্বের উচিৎ অধিকৃত কাশ্মিরে ভারতীয় নৃশংসতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো।

‘২০১৯ সালের ৫ আগস্টের আগে ভারতের শাসকগোষ্ঠী কাশ্মিরের উচ্চপদস্থ পুলিশ ও বেসামরিক আমলাদের ইসরায়েল পাঠিয়েছিল জানতে ও প্রশিক্ষণের জন্য। পরে তাদের কাশ্মিরে ফিরিয়ে আনা হয়, যাতে করে তারা জম্মু ও কাশ্মির অঞ্চলে ইসরাইলি মডেল অনুসারে কাজ করতে পারে,’ বলেন শেহরিয়ার খান আফ্রিদি।

তিনি বলেন, ‘এ দলে ছিলেন ভারতের কুখ্যাত পুলিশ অফিসার ইমতিয়াজ হোসেনও। যিনি ২০০ কাশ্মিরি মুসলিমকে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত। ২০১৯ সালের ৫ আগস্টের আগে ইমতিয়াজ হোসেনকে ইসরাইলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বোঝার জন্য সেখানে পাঠানো হয়। সেখান থেকে ফেরত আসার পর তাকে শ্রীনগর শহরের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে, যাতে করে তিনি জম্মু ও কাশ্মিরের বিক্ষোভগুলোকে ভালোভাবে দমন করতে পারেন।’

সে দিনটিতে ভারত কাশ্মিরের বিশেষ অধিকার বাতিল করে।

ইমতিয়াজ আফ্রিদি আরো বলেন, ‘বসতি স্থাপনের মাধ্যমে উপনিবেশ স্থাপনের ইসরাইলি প্রক্রিয়াকে অনুকরণ করার মাধ্যমে জম্মু ও কাশ্মিরে জাতিসঙ্ঘের প্রস্তাবনাগুলোর মারাত্মক অবমাননা করেছে ভারত।

প্রায় ৪০ লাখ নতুন লোককে জম্মু ও কাশ্মির অঞ্চলে স্থায়ী নাগরিকত্ব দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে এমন পাঁচ লাখ লোককে ভারতের মূল ভূখণ্ড থেকে নিয়ে আসা হয়েছে যারা আগে কখনো এ অঞ্চলে ঘুরতেও আসেননি।

কাশ্মিরের স্থানীয় নয় এমন লোকদের পর্যটন অঞ্চলের সুবিধাগুলো দেয়া হচ্ছে আর বনভূমিও লিজ দেয়া হচ্ছে তাদের নামে। আর কাশ্মিরের স্থানীয় লোকদের এসব অর্থনৈতিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। ভারত অর্থনৈতিকভাবে কাশ্মিরিদের শ্বাসরোধ করে ফেলছে আর তাদের যেভাবে অধিকারচ্যুত করা হচ্ছে তা জাতিসঙ্ঘের প্রস্তাবনাগুলোর মারাত্মক লঙ্ঘন।

আজাদ কাশ্মিরের প্রেসিডেন্ট মাসুদ খান, তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মোস্তফা জুরদাকুল, ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত আহমদ রাবেই, আজারবাইজানের রাষ্ট্রদূত আলি ফিকরাত অগলু আলিজাদা আর পাকিস্তানের সরকারি কর্মকর্তারাও এ আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।

বক্তরা কাশ্মির ও ফিলিস্তিনের ইস্যুকে আধুনিক বিশ্বের মানবতা লঙ্ঘনের সবচেয়ে খারাপ উদাহরণ বলে উল্লেখ করেন। যদিও দু’টি ইস্যুই খুব গুরুতর আর জাতিসঙ্ঘের মতোই বয়সে পুরাতন এক সমস্যা, তবু এ সমস্যাগুলোর সমাধান হয়নি।

সূত্র: ইয়েনি সাফাক


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ