রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬ ।। ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২০ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
দলে গতি আনতে পরিকল্পনা জানালেন ইসলামী আন্দোলনের নতুন মহাসচিব ‘এ দেশে এক পীরের যত মুরীদ আছে পুরো জামায়াত মিলেও এত লোক নেই’ জমিয়তের ঢাকা মহানগর উত্তর কাউন্সিল সফল করতে মতবিনিময় সভা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কওমি শিক্ষার্থীদের ভূমিকার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দাবি অবিলম্বে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি নেজামে ইসলাম পার্টির ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির কে কোন দায়িত্ব পেলেন জুলাইয়ের প্রত্যাশা বাস্তবায়নে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা ইসলামী আন্দোলনের প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়া সেই যুবক মুয়াজ্জিন নন! আমিরে মজলিসের সঙ্গে বগুড়া জেলা নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় সভা মৎস্য পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন পীর সাহেব চরমোনাই

মিয়ানমারে ‘জাতীয় ঐক্য সরকার’ ঘোষণা করলেন আত্মগোপনে থাকা সংসদ সদস্যরা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মিয়ানমারের জান্তা সরকারকে উৎখাতে একটি ‘জাতীয় ঐক্য সরকার’ গঠন করেছেন আত্মগোপনে থাকা সংসদ সদস্যরা।

গত শুক্রবার দেশটির নির্বাচিত নেত্রী অং সান সু চিকে প্রধান করে এ সরকার গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়। জাতীয় ঐক্য সরকারে যুক্ত হয়েছেন ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নেতারাও। ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট নামে এ সরকারের নেতৃত্বে রয়েছেন অং সান সু চি। তাকে স্টেট কাউন্সেলর পদে রেখে এর প্রেসিডেন্ট করা হয়েছে উইন মিন্টকে। সু চি ও উইন মিন্ট দুজনই এখন সেনাবাহিনীর হাতে বন্দি রয়েছেন।

আজ শুক্রবার সু চির দলের এমপিদের গঠন করা দ্য কমিটি রিপ্রেজেন্টিং পাইডাংসু হ্লুটাও (সিআরপিএইচ) তাদের সরকারের নেতাদের নাম ঘোষণা করেছে। এতে ভাইস প্রেসিডেন্ট করা হয়েছে একজন কাচিন এবং প্রধানমন্ত্রী করা হয়েছে একজন কারেন নেতাকে।

সিআরপিএইচ-এর অফিশিয়াল ফেসবুকে একজন প্রভাবশালী নেতা এ নিয়ে পোস্ট দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা এমন একটি সরকার গঠন করেছি, যার মধ্যে সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। জাতীয় ঐক্য সরকারের মন্ত্রীদের তালিকায় রয়েছেনচিন, শান, সোম, কারেন এবং তা আং জাতিগোষ্ঠীর শীর্ষস্থানীয় নেতারা। ২০২০ সালের নির্বাচনের ফলের ভিত্তিতে দেশটির সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোতে সশস্ত্র বিদ্রোহী দলগুলোসহ দেশব্যাপী অভ্যুত্থানবিরোধী রাজনীতিবিদদের মধ্য থেকে এদের বেছে নেওয়া হয়েছে।

ওই প্রভাবশালী নেতা বলেন, আমাদের এটিকে মূল থেকে টেনে আনতে হবে। আমাদের অবশ্যই তাদের নির্মূল করার চেষ্টা করতে হবে। আর কেবল জনগণই ভবিষ্যতের সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

এদিকে জান্তারা বলছে, সিআরপিএইচ-এর সঙ্গে যারা কাজ করছে, তারা দেশদ্রোহী। এদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। এদের বেশির ভাগই এখন নতুন ‘জাতীয় ঐক্য সরকার’-এর বিভিন্ন পদে রয়েছেন। মিয়ানমারে ১৩০টিরও বেশি সরকারি জাতিগত সংখ্যালঘুগোষ্ঠী রয়েছে। সূত্র: রয়টার্স।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ