শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ডেঙ্গুর টিকা আনতে উদ্যোগ নেবে ডিএসসিসি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ৩০ পেরিয়েছেন? সুস্থ থাকতে গড়ে তুলুন ৭ অভ্যাস জমজমের বরকতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা দেশমাতৃকা উলামায়ে কেরামের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজদের মধ্যে ব্রেইল কুরআন ও সাদাছড়ি বিতরণ দেশে ফিরেছেন সৌদি আরবে আটকে পড়া ৫০ ওমরাহযাত্রী মাওলানা নূরুল হক রহ.-এর কবর জিয়ারত করলেন খেলাফত মজলিস আমির ঢাবির গবেষকদের ‘স্মার্ট ফাঁদে’ শনাক্ত হবে এডিস মশার বিস্তার

‘নিজেদের রক্ষা করার জন্য ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন তৈরী করেছে সরকার’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এই সরকার খুব দুর্বল সরকার। এত দুর্বল যে নিজেদের রক্ষা করবার জন্য প্রত্যেক দিন নতুন নতুন আইন তৈরী করতে হয়। একটা আইন তৈরী করেছে ডিজিটাল সিকিউরিটি আইন। মানে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন।

বুধবার (১০ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর খিলগাঁওয়ের তালতলা মার্কেটের সামনে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথি বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। দেশব্যাপী নিরপেক্ষ নির্বাচন ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের দাবিতে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

তিনি বলেন, এই নির্বাচন কমিশন তো আজ্ঞাবহ কৃতদাসের চেয়েও খারাপ। সরকারকে কিছু বলতে হয় না, তার আগেই ওরা বলে দেয়, সুষ্ঠু ভাবে নির্বাচন হয়েছে, আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা জয়লাভ করেছে। অবিলম্বে এই নির্বাচন কমিশনকে পদত্যাগ করা উচিত। আজকে এই জনসভা থেকে ঘোষণা করতে চাই, অবিলম্বে নির্বাচন কমিশনকে পদত্যাগ করতে হবে। যোগ্য ব্যক্তিদের দ্বারা নতুন করে নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, আজকের এই সভা করছি অত্যান্ত চাপের মুখে। মঙ্গলবার রাত ১২টায় বলা হয়েছে মোহাম্মদপুরে সভা করতে দেয়া যাবে না, ওখানে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে। অথচ তারাই আগে সেখানে অনুমতি দিয়েছিল। রাত ১২টায় এখানে অনুমতি দিয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা একটা কঠিন সময় অতিবাহিত করছি। এত বড় কঠিন সময় স্বাধীনতার ৫০ বছরে আর আসেনি। ১৯৭১ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আহবানে যখন আমরা যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ি তখন আমাদের সামনে একটা স্বপ্ন ছিল যে আমরা একটি গণতান্ত্রিক দেশ তৈরী করব। একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র, একটা গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা তৈরি করব। এখানে সবাই ন্যায় বিচার পাবে, কোনো বৈষম্য থাকবে না। কিন্তু আজকে ৫০ বছর পরে আমরা দেখছি আমাদের অধিকারগুলো যেগুলো পাকিস্তান সেনাবাহিনী কেড়ে নিয়েছিল, আজকে এই সরকার একই কায়দায় আমাদের সেই সমস্ত অধিকার কেড়ে নিয়েছে। সেদিন পাকিস্তানের হানাদার বাহিনীরা বন্দুকের মুখে আমাদের জিম্মি করেছিল, আমাদের ভাইদের হত্যা করেছিল। আজকেও এই সরকার যারা জোর করে ক্ষমতা দখল করে আছে, বন্দুকের মুখে আমাদের সমস্ত অধিকারগুলো কেড়ে নিচ্ছে। আমাদের ভাদের হত্যা করছে। বোনদের নিরাপত্তা দিতে পারছে না।

ওই যে আশা আকাঙ্খা, ওই যে স্বপà