বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
২০২৭ সালের মধ্যে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকি সিঙ্গাপুরে এমপি হানজালার সঙ্গে বিকেএম নেতাদের সাক্ষাৎ ১৫ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি নিউইয়র্কে পীর সাহেব চরমোনাইকে উষ্ণ অভ্যর্থনা এ সপ্তাহে মসজিদুল হারামের খতিব জুহানি, মসজিদে নববীতে হুযাইফি ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় ৫ হাজারের বেশি মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত! ইসলামী আন্দোলনের বায়তুল মাল মাসে এক লাখ টাকার কুপন সংগ্রহ বিড়াল কেনা-বেচা ও লালন-পালনের শরয়ি বিধান পরিবারকে আর্থিক সুরক্ষা দিতে গিয়ে সুদের ফাঁদে পড়ছেন না তো? 

করোনার পর প্রথমবারের মতো গণভবন থেকে বের হলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: করোনাকাল শুরুর পর প্রথমবারের মতো গণভবন থেকে বের হয়ে বাইরের দুনিয়ায় আসলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ রোববার ঐতিহাসিক ৭ মার্চে জাতির পিতার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে সকাল সাতটায় রাজধানীর ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে আসেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে ২০২০ সালের ২৬ মার্চ থেকে সারাদেশে অঘোষিত লকডাউন শুরু হয়। এরও আগে থেকেই গণভবনে কার্যত বন্দি হয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল মাধ্যমে সংযুক্ত হলেও আজ ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর টানে ধানমণ্ডিতে আসলেন প্রধানমন্ত্রী।

করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে গত ২৭ জানুয়ারি সারাদেশে ভ্যাকসিন প্রয়োগ কর্মসূচি শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) বিকালে গণভবনে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন। ভ্যাকসিন গ্রহণের মাত্র ৩ তিনদিন পরেই গণভবনের বাইরে আসলেন তিনি।

করোনাকালে গণভবনের জীবনকে জেলখানার সঙ্গেই তুলনা করেছিলেন ছোটবড় সকলের সঙ্গে প্রাণবন্ত আড্ডা দিতে অভ্যস্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১৯ নভেম্বর দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমণ্ডলীর সভায় তিনি বলেন, অনেকদিন পর সুযোগ পেলাম, অনেক বেশি বকবক করলাম।

অনেক বেশি কথা বললাম। এখন আমি একা। কিন্তু জেলখানার মতোই আছি। সেটাই আমার দুঃখ। ২০০৭ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত ছিলাম ছোট জেলে, এখন বড় জেলে আছি।

আজ রোববার সকালে রাজধানীর ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদের কয়েকজন সদস্য ও দলের সিনিয়র নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাঙালির স্বাধীনতা-মুক্তি ও জাতীয়তাবোধ জাগরণের মহাকাব্য, বাঙালি তথা বিশ্বের সকল লাঞ্চিত-বঞ্চিত নিপীড়িত-নির্যাতিত মানুষের মুক্তির সনদ। বাঙালির পরাধীনতার শৃঙ্খল মোচনের চূড়ান্ত প্রেরণা। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ বিশ্ব ঐতিহ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণিক দলিল এবং বিশ্বে সর্বাধিকবার প্রচারিত ও শ্রবণকৃত ভাষণ।

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বাঙালি জাতির ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা একটি অবিস্মরণীয় দিন। এই দিনে তৎকালীন ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এক উত্তাল জনসমুদ্রে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ডাক দেন। বঙ্গবন্ধু তাঁর বজ্রনির্ঘোষ কণ্ঠে বলেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ