বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৫ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
ফতোয়া ও আত্মশুদ্ধির ময়দানে মুফতি সাঈদ আহমদ রহ. সৌদিতে ১৩০০ বছরের পুরনো মসজিদের সন্ধান, দেয়ালে নবীজির নাম মক্কার নিরাপত্তা ও পবিত্রতার প্রতি হুমকি গ্রহণযোগ্য নয়: জমিয়ত ‘রাষ্ট্রপরিচালনার ক্ষেত্রে জনপ্রত্যাশা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে প্রাধান্য দিচ্ছে সরকার’  দাওরায়ে হাদিসের মেধাবৃত্তির অর্থ বোর্ডে পাঠিয়েছে আল-হাইআতুল উলয়া স্পিকারের সঙ্গে জার্মানির রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ অপরাধের ধরন বদলালেও পুলিশের আধুনিকায়ন সম্ভব হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সম্পত্তি হস্তান্তর আইন নিয়ে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে আলেম প্রতিনিধিদের মতবিনিময় সন্ধ্যার মধ্যে ৪ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা মক্কায় বিমান হামলার সাইরেন: সতর্ক করলেন মুফতি তাকি উসমানি

সূর্যোদয়ের দেশ জাপানে বাড়ছে মুসলিমদের সংখ্যা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সূর্যোদয়ের দেশ হিসেবে পরিচিত জাপানে উল্লেখযোগ্য হারে মুসলিমদের সংখ্যা বাড়ছে। প্রায় প্রতিদিনই দেশটিতে অনেক মানুষ ইসলাম গ্রহণ করছেন। এর ফলে গত এক দশকে দেশটিতে মুসলিমের দ্বিগুণের বেশি হয়েছে।

ওয়াসেদা বিশ্ববিদ্যালয়ের তানাদা হিরোফুমির বরাত দিয়ে দ্য ইকোনোমিস্ট জানিয়েছে, গত ১০ বছরে জাপানে মুসলিম জনগোষ্ঠীর সংখ্যা দ্বিগুণের বেশি হয়েছে। ২০১০ সালের এক পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, জাপানে ১ লাখ ১০ হাজার মুসলিম ছিল। তবে ২০১৯ সালের শেষ নাগাদ সেই সংখ্যাটা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩০ লাখ।

এই এক দশকে জাপানের উল্লেখযোগ্য মানুষ ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করায় দেশটিতে মুসলিমের সংখ্যা বেড়েছে। পরিসংখ্যানে বলা হচ্ছে যে, গত ১০ বছরে ৫০ হাজার জাপানি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে।

মুসলিমদের সংখ্যা বাড়তে থাকায় জাপানে আরও বেশি মসজিদ, ইবাদতের স্থান এবং হালাল খাবারের দোকান স্থাপন করা হচ্ছে। রিটসুমেইকান এশিয়া-প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটির (এপিইউ) একজন অধ্যাপক এবং বেপ্পু মুসলিম অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) প্রধান মুহাম্মদ তাহির আব্বাস খান বলেছেন, জাপানে এখন ১১০টি মসজিদ রয়েছে।

দিন দিন মসজিদের সংখ্যা বাড়লেও কবরের স্থান নিয়ে এখনও জাপানের মুসলিমদের উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে। জাপানের প্রায় ৯৯ শতাংশ মানুষকে দাহ করা হয়। কিন্তু ইসলামে মৃতদেহ দাহ করা নিষেধ। এমতাবস্থায় এটা একটা সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে। আব্বাস খান বলেন, যদি আজ আমার মৃত্যু হয়, তাহলে আমাকে দাফন করা হবে কিনা আমি জানি না।

তবে কবরস্থানের জন্য প্রায় এক দশক ধরে অর্থ উত্তোলন করছে বিএমএ। কিন্তু কবরের জন্য জায়গা নির্ধারণের পর স্থানীয়রা এর বিরোধিতা করেছে। তারা বলছে, কবরস্থান থাকলে তারা নিশ্চিতে পানি পান করতে পারবেন না।

উল্লেখ্য, রুশ বিপ্লবের পর রাশিয়া থেকে কয়েকশ তুর্কি মুসলিম অভিবাসী ১৯২০-র দশকে জাপানে পাড়ি জমায়। ১৯৩০ সালে জাপানে বিভিন্ন দেশের এক হাজার মুসলিম ছিল। পরবর্তীতে ১৯৮০-র দশকে ইরান, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে অভিবাসী কর্মীরা জাপানে পাড়ি দিলে সেখানে মুসলিম জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ