মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিন শেষ হয়ে এলে  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান

সৃষ্টিতে স্রষ্টার পরিচয়

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতী কামরুজ্জামান।।

ইমাম কুরতুবী রহ. তার তাফসীরে জাফর বিন মুহাম্মাদ থেকে একটি রেওয়ায়েত এনেছেন- ইমাম ছা’লাবী কিতাবুল আরাইজে উল্লেখ করেছেন যে, আল্লাহ তা’য়ালার এক ফেরেস্তা আছে যার নাম হল হিযকিয়াইল, যাকে আল্লাহ ১৮ হাজার ডানা দিয়েছেন, এক ডানা থেকে আরেক ডানার দূরত্ব হল ৫০০ বছরের রাস্তা, কেউ তাকে বলল তুমি কি পুরো আরশটাকে দেখার ক্ষমতা রাখো? তখন আল্লাহ তার ডানাকে দ্বিগুন করে দিলেন এখন তার ৩৬ হাজার ডানা হল এবং দুই ডানার দুরত্ব ৫০০ বছরের রাস্তা। এরপর আল্লাহ তাকে বললেন হে ফেরেস্তা তুমি উড়ো ফেরেস্তা ২০ হাজার বছর উড়তে থাকলো।

কিন্তু আরশের কোন পায়ার মাথা পর্যন্ত পৌছতে পারলো না। অতপর আল্লাহ তাকে ডানা ও সামর্থ আরো বাড়িয়ে দিয়ে উড়ার জন্য নির্দেশ দিলেন। অতপর সে ৩০ হাজার বছর উড়তে থাকল কিন্তু সে আরশের পায়ার মাথা পর্যন্ত পৌছতে পারলো না। তখন আল্লাহ বললেন হে ফেরেস্তা তুমি সিঙ্গায় ফুক দেয়া পর্যন্ত তোমার ডানা ও সামর্থ সহ উড়তে থাকো তবুও আমার আরশের খুটির পা পর্যন্ত পৌছতে পারবে না। তখন ফেরেস্তা বলে উঠলো “সুবহানা রব্বিয়াল আ’লা”। অতপর আল্লাহ নাযিল করলেন سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الْأَعْلَى অতপর নবী কারীম সা. বললেন একে সিজদায় পড়। অর্থাৎ “সুবহানা রব্বিয়াল আ’লা” ।

মহান আল্লাহ তা’য়ালা এরশাদ করেন:- سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الْأَعْلَى (১) الَّذِي خَلَقَ فَسَوَّى (২) ...الخ

পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি। হে নবী আপনি আপনার মহান রবের মহিমা ঘোষণা করুন যিনি সৃষ্টিজীবকে সৃষ্টি করেছেন এবং করেছেন ভারসম্যপূর্ণ,সামাঞ্জস্যপূর্ণ,সুন্দর। মুসনাদে আহমাদে হযরত উকবা ইবনে আমের রা. থেকে বর্ণিত তিনি বলেন যখন فسبح باسم ربك العظيم

আয়াত অবতীর্ণ হয় তখন রাসূল সা. আমাদেরকে বলেন এটাকে তোমরা রুকুতে (পড়ার জন্য) নির্ধারণ করে নাও। অতপর যখন سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الْأَعْلَى

আয়াত অবতীর্ণ হল তখন রাসুল সা. বলেন এটাকে তোমরা সিজদায় নির্ধারণ করে নাও। আর যিনি নির্ধারণ করেন কে হবে ভগ্যবান ও কে হবে হতভাগা। অতপর প্রত্যেক সৃষ্টিজীবকে পথ নির্দেশ করেছেন। আর যিনি সকল প্রকার উদ্ভিদ সৃষ্টি করেছেন।

এ সূরার শুরুতে আল্লাহ তা’য়াল তার নবীকে স্বীয় রবের মহিমা ঘোষণা করার নির্দেশ প্রদান করেছেন। সাথে সাথে মহান রবের কয়েকটি বৈশিষ্টও বর্ণনা করেছেন।আল্লাহ তা’য়ালা বলেন হে নবী আপনি আপনার মহান রবের মহিমা ঘোষণা করুন। রব বলা হয়, যিনি সৃষ্টিকর্তা, রক্ষাকর্তা, পালনকর্তা।

সেই রবের মহিমা ঘোষণা করুন যিনি সৃষ্টি করেছেন। “খলক” বলা হয় কোন সৃষ্টিকে নাস্তি থেকে হà¦