বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬ ।। ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১০ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
জনসচেতনতার ঘাটতি ও টিকাদানে অনাগ্রহে হামের বিস্তার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভারতে অঘোষিত জরুরি অবস্থা বিরাজ করছে: মাওলানা আরশাদ মাদানী শাপলা মামলায় ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থায় সাক্ষ্য দিলেন শহীদ পরিবারের সদস্যরা মামলা প্রত্যাহার করায় কর্মসূচি স্থগিত করল ইসলামী আন্দোলন গোসলে নেমে প্রাণ গেল ২ মাদরাসা ছাত্রের জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের কর্মীদের জন্য মাওলানা মাহমুদ মাদানীর ১০ দফা গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৯ শিশুর মৃত্যু এ দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন করে ছাড়ব: শিক্ষামন্ত্রী অনুমোদনহীন হজ এজেন্সি থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ২৮ জুন থেকে বাংলাদেশিদের জন্য ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা চালু

আজ অবধি একজন রোহিঙ্গাও মিয়ানমারে ফিরে যায়নি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: খুবই দু:খজনক যে, আজ অবধি একজন রোহিঙ্গাও তার নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরে যায়নি। চুক্তি অনুযায়ী মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের ফেরাতে অনুকূল পরিবেশ তৈরি করার কথা। কিন্তু তার পরিবর্তে রাখাইন রাজ্যে চলছে লড়াই ও গোলাগুলি। বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন।

আজ শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে ২৭তম আসিয়ান রিজিওনাল ফোরামের (এআরএফ) ভার্চুয়াল সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। ভিয়েতনামের উপ প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরামের চেয়ারম্যান ফাম বিন মিনহ এ সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মোমেন বলেন, ১১ লাখ নিপীড়িত রোহিঙ্গাকে মানবিক আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ। বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী চেতনায় গঠনমূলক কূটনীতির মাধ্যমে সংকট সমাধানে বাংলাদেশ আগ্রহী। মিয়ানমার আমাদের বন্ধুদেশ তাই প্রত্যাবাসনের জন্য বাংলাদেশ মিয়ানমারের সঙ্গে তিনটি সমঝোতা স্বাক্ষর করেছে।
তিনি বলেন, মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের যাচাই-বাছাইয়ের পরে ফিরিয়ে নিতে রাজি হয়েছিল।

তারা তাদের স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতেও সম্মত হয়েছিল এবং বাস্তুচ্যুত মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তারা সম্মত হয়। তবে দুর্ভাগ্যক্রমে আজ অবধি কেউ মিয়ানমারে ফিরে যায়নি এবং অনুকূল পরিবেশ তৈরির পরিবর্তে রাখাইন রাজ্যে লড়াই ও গোলাগুলি চলছে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের আশঙ্কা এই যে, যদি এই সমস্যাটি দ্রুত সমাধান না করা হয় তবে এই সংকট উগ্রবাদের পকেটে পরিণত হতে পারে। যেহেতু সন্ত্রাসীদের কোনোও সীমানা নেই তাই এই অঞ্চলে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ার উচ্চ সম্ভাবনা রয়েছে যা আমাদের শান্তিপূর্ণ, সুরক্ষিত এবং স্থিতিশীল অঞ্চলের জন্য হুমকি স্বরূপ।

তিনি আরও বলেন, রোহিঙ্গারা মূলত তাদের স্বদেশে ফিরছে না কারণ তারা সুরক্ষার বিষয়ে তাদের সরকারকে বিশ্বাস করে না। আস্থা ঘাটতি ও আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর লক্ষ্যে আমরা মিয়ানমারকে তাদের বন্ধুত্বপূর্ণ দেশ আসিয়ান, চীন, রাশিয়া, ভারত বা তাদের পছন্দের অন্যান্য বন্ধু দেশ থেকে অ-সামরিক ও বেসামরিক পর্যবেক্ষকদের জড়িত থাকার পরামর্শ দিয়েছিলাম। এগুলো টেকসই ফেরতের জন্য আস্থার ঘাটতি হ্রাস করতে পারে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ