মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬ ।। ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১৫ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
তিস্তা, গঙ্গাসহ ভারতের সঙ্গে অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা চায় বাংলাদেশ: ডা. জাহেদ রাজধানীর জলাবদ্ধতা নিরসনে সমন্বিতভাবে উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী কুড়িগ্রামে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, পানিবন্দি ১০ হাজার মানুষ খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরান যাবেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ আজ শহীদ আরমান দিবস: কী ঘটেছিল সেদিন কিশোরগঞ্জে? পবিত্র কাবার বার্ষিক গোসল সম্পন্ন ধর্মীয় স্থাপনা উচ্ছেদ: আইনি লড়াইয়ের ঘোষণা জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের বৃহত্তর ঢাকা জেলার নূরানী শিক্ষকদের ষান্মাসিক জোড় বুধবার উদ্বোধনের আগেই পৌনে ১৩ কোটি টাকার মডেল মসজিদে ফাটল কাতারে বৈঠকের ঘোষণা ট্রাম্পের, অস্বীকার ইরানের

আসল অয্যোধ্যা নেপালে: প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মার দাবি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: রামচন্দ্রের জন্মভূমি অযোধ্যা তাদের দেশে। এমন দাবি করে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি। তিনি দমে যাওয়ার পাত্র নন। এবার আসল অযোধ্যায় খোঁজে খোঁড়াখুড়ির নির্দেশ দিয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী।

জানা যায়, নেপালের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ এ দাবি প্রমাণে মাঠে নেমে পড়েছে। এদিকে নেপালের বিদেশমন্ত্রী বলেন, রামায়ণ ও রামচন্দ্রের বাসভূমির ইতিহাসের ভিত বিশ্বাসের উপর দাঁড়িয়ে। এই নিয়ে কখনও তেমন গবেষণা হয়নি। সঠিক পথে গবেষণা করলে রামায়নের ইতিহাস বদলে যেতে পারে বলে দাবি করেছিলেন তিনি।

জানা যাচ্ছে, নেপালের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সেখানকার প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের কর্তারা মাঠে নেমেছেন। নেপালের দক্ষিণে থোরি অঞ্চলের একটি নির্দিষ্ট জায়গায় খনন কাজ শুরু হবে বলে জানা যাচ্ছে। রামের জন্মভূমি নিয়ে গবেষণাও শুরু করবে তারা। নেপালের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ডিজি দামোদর গৌতম জানিয়েছেন, দেশের প্রধানমন্ত্রীর দাবির ভিত্তিতে তাদেরও কিছু দায়িত্ব রয়েছে। দেশের পুরাতাত্মিক ইতিহাস নিয়ে তারা অনুসন্ধান করবেন। ওলির দাবি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়েছে।

ইতিহাসবিদ, সাংস্কৃতিক বিশেষজ্ঞ, ধর্মগুরু, শিক্ষক, গবেষকদের নিয়ে একটি আলোচনাসভার আয়োজন করবে নেপালের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ। সেখানে সবার মতামত জানার পর আরো বেশ কয়েকটি জায়গায় খননকাজ শুরু করা হবে। এমনকী কোন জায়গায় প্রথমে খোঁড়াখুড়ি শুরু হবে তা নিয়েও আলোচনা হবে।

প্রাথমিকভাবে ঠিক হয়েছে, থোরি গ্রামের একটি নির্দিষ্ট এলাকায় আপাতত খনন কাজ চলবে। বারা, ধৌসা আর চিতবন জেলার একাধিক জায়গায় আগেও খনন কাজ হয়েছে। তবে ওলির দাবি ছিল বীরগঞ্জে থোরিতেই ছিল আসল অযোধ্যা। নেপালি ভাষায় রামায়ণ অনুবাদ করা কবি ভানুভক্তের জন্মবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে তিনি এমন দাবি করেছিলেন। তিনি আরও দাবি করেছিলেন, নেপালের জনকপুরে (আগে নাম ছিল মিথিলা) ছিল সীতার বাড়ি। আর আসল অযোধ্যা ছিল থোরিতে। -জি নিউজ

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ