রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৯ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
শরিয়াহ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের সমন্বয়ে গুরুত্বারোপ মিসরের গ্র্যান্ড মুফতির ‘এই ভূখণ্ডকে আমরা আর কবে বাসযোগ্য করে তুলতে পারব!’ অপ্রতিম হত্যার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করুন: মাওলানা জালালুদ্দীন মাকসুদ কামাল-জাফর ইকবালসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি     বাঁশখালীর বন্যার্তদের পাশে চুয়েট শিক্ষার্থীরা কওমি মাদরাসায় শারীরিক শাস্তি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ: আল-হাইআতুল উলয়া আল্লামা শাহ ইলিয়াস সিদ্দিকী জমিরী গুরুতর অসুস্থ, দোয়ার আবেদন কুমিল্লায় স্কুলছাত্র অপ্রতিম হত্যায় ছাত্র জমিয়তের নিন্দা, দ্রুত বিচারের দাবি ছাত্র মজলিসের নতুন সভাপতি জাকারিয়া, সেক্রেটারি ইসমাঈল অপ্রতিমের খুনিদের দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে: জমিয়ত

দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন ডা. জাফরুল্লাহ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সাবধানে থাকার আহ্বান জানিয়ে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন নভেল করোনা ভাইরাস সংক্রমণে আক্রান্ত গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

সোমবার রাতে গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, করোনা ভাইরাসের কোনো ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে পরীক্ষা করা দরকার। যত দ্রুত সম্ভব বেশি সংখ্যক পরীক্ষা করে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করে আইসোলেশনে রাখতে হবে।

ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, গতকাল (রোববার) আমার জ্বর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পরীক্ষা করিয়েছি। আমার পজিটিভ এসেছে। এতে করে আমার দ্বারা নতুন করে আর কেউ আক্রান্ত হবে না। যদি দু-তিন দিন পরে পরীক্ষা করতাম তাহলে এর মধ্যে অনেকেই আক্রান্ত হয়ে যেত। তাই আমি বলব, যত বেশি সংখ্যক সম্ভব দ্রুত পরীক্ষা করা দরকার।

তিনি বলেন, হাসপাতালে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি হয়নি, সুস্থ আছি। আপাতত বাড়িতেই আইসোলেশনে থাকব। দেশবাসীকে বলব, তারা যেন সাবধানে থাকে।

এর আগে রোববার বিকেলে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্ভাবিত এন্টিজেন কিট দিয়ে পরীক্ষায় করোনা ভাইরাস শনাক্ত হন তিনি।

প্রসঙ্গত, খ্যাতিমান চিকিৎসক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং মুক্তিযোদ্ধা জাফরুল্লাহ চৌধুরী গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র নামক স্বাস্থ্য বিষয়ক এনজিওর প্রতিষ্ঠাতা। ১৯৮২ সালে প্রবর্তিত বাংলাদেশের ‘জাতীয় ঔষধ নীতি’ ঘোষণার ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

১৯৪১ সালের ২৭ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম জেলার রাউজানে জন্ম নেয়া জাফরুল্লাহ চৌধুরীর বাবার শিক্ষক ছিলেন বিপ্লবী মাস্টারদা সূর্যসেন। দশ ভাইবোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। ঢাকার বকশীবাজারের নবকুমার স্কুল থেকে মেট্রিকুলেশন এবং ঢাকা কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট উত্তীর্ণের পর তিনি ১৯৬৪ সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাশ করেন। এরপর ১৯৬৭ সালে ব্রিটেনের রয়্যাল কলেজ অব সার্জনস থেকে এফআরসিএস প্রাইমারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন।

এরপর মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে এফআরসিএসের চূড়ান্ত পর্ব শেষ না করে লন্ডন থেকে ভারতে ফিরে এসে যুদ্ধে অংশ নেন। আগরতলার মেলাঘরে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে গেরিলা প্রশিক্ষণ নেন এবং এরপরে ডা. এম এ মবিনের সাথে মিলে সেখানেই ৪৮০ শয্যাবিশিষ্ট বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করেন।

তিনি স্বল্প সময়ের মধ্যে অনেক নারীকে প্রাথমিক প্রশিক্ষণ দিতেন এবং তাদের দিয়ে রোগীদের সেবা করতেন। তার এই অভূতপূর্ব সেবাপদ্ধতি পরে বিশ্ববিখ্যাত জার্নাল পেপার 'ল্যানসেট'-এ প্রকাশিত হয়।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ