শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
হাজিদের সেবায় সুনাম কুড়াচ্ছে আল-মিনহাজ হজ ট্রাভেলস পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমরা আবেগ নয়, বাস্তবতাকে প্রাধান্য দিন ১৯৭৯ সালের পর ওয়াশিংটন-তেহরানের প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আজ, কী হতে চলেছে ইসলামাবাদে? বায়তুল মোকাররম এলাকায় হকার-ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ পরীক্ষার সময় সিসি ক্যামেরা চালু রাখতে হবে, কোনো অজুহাতে অফ রাখলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২৭ শিশু ভর্তি রাজনীতিতে যারা ওয়াদা ভঙ্গ করেছে তাদের পরিণতি কিন্তু খুব ভালো হয়নি : নাহিদ ইসলাম হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হবে ঢাকায়  ৫ সপ্তাহ পর আল-আকসায় জুমা, মুসল্লিদের ঢল আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা যাদের, নমিনেশনে অগ্রাধিকার তাদের : রিজভী

রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে ইউরোপ-আমেরিকার প্রতি আহ্বান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে ইউরোপ-আমেরিকার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। আমাদের পক্ষে আর বেশি রোহিঙ্গা আশ্রয় দেয়া সম্ভব নয়।

শুক্রবার এক ভিডিও বার্তায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের বড় বড় মাতব্বররা সব সময় আমাদের উপদেশ দিয়ে বলেন, রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে। অথচ চাইলে তারা কিছু রোহিঙ্গা নিতে পারেন। কিন্তু তারা নেন না। তাদের উদ্দেশে বলি, আপনার যদি এত দরদ থাকে, তাহলে রোহিঙ্গাদের নিজেদের দেশে নিয়ে যান। কোনো অসুবিধা নাই। আমরা কাউকে আটকাব না।

তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার অনুরােধ জানিয়ে সম্প্রতি ইউরোপের একজন রাষ্ট্রদূত আমার কাছে আসেন। তখন আমি তাকে বললাম, বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় দুই হাজার ডলার এবং প্রতি বর্গমাইলে ১২০০ লোক থাকেন। আর আপনার দেশের মাথাপিছু আয় ৫৬ হাজার ডলার এবং প্রতি বর্গমাইলে মাত্র ১৫ জন লোক থাকেন। আপনারা কিছু রোহিঙ্গা নিলে আমাদের কোনো আপত্তি থাকবে না।

তিনি আরও বলেন, আন্দামান সাগর কিংবা ভারত মহাসাগরে কোনো ঝামেলা হলেই সবাই শুধু বাংলাদেশের দিকে তাকিয়ে থাকে। ভাবখানা এমন যে, বাংলাদেশ যেহেতু আগে ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে, তাই বাকিদেরও দিতে পারবে। দুনিয়ার যেখানেই রোহিঙ্গা সমস্যা হোক, সাহায্য বাংলাদেশকেই করতে হবে।

‘আমরা আগেই বলেছি, আমরা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিতে পারব না। আমাদের এখানে আর কোনো জায়গা নেই। তাছাড়া তাদের ব্যাপারে অন্যদেরও রেসপনসিবিলিটি আছে। কারণ রোহিঙ্গা সমস্যা কেবল আমাদের একার নয়, এটা বৈশ্বিক সমস্যা, যোগ করেন ড. এ কে আবদুল মোমেন।'

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ