মাওলানা তৈয়ব উল্লাহ নাসিম।।
বিশ্বের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত হাতেগোনা কটা দেশ ছাড়া কেউ মুক্ত নয় আজ করোনার ছোবল থেকে। প্রতিনিয়ত আক্রান্ত হচ্ছে হাজারো মানুষ। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা এখন মিনিটে নয় সেকেন্ড হিসাব রাখতে হচ্ছে। এই রোগের নেই কোনো ঔষধ নেই চিকিৎসা না আছে ভ্যাকসিন।
ওয়ার্ল্ড মিটারের আজকের হিসেব অনুযায়ী ইতিমধ্যে উনিশ লক্ষ মানুষ আক্রান্ত এই রোগে। এক লক্ষ পনের হাজারের মত মানুষ মারা গিয়েছে এই মহামারীতে। আলহামদুলিল্লাহ চার লক্ষ বত্রিশ হাজারের মত মানুষ সুস্থ হয়েছেন।
আমরা আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসী মানুষরা জাগতিক চিকিৎসা না পেলেও আল্লাহর দিকে ফিরে গিয়ে মুক্তি পেতে পারি এই দুর্যোগ থেকে। মানুষের প্রতি দয়া ও সাহায্য করে নিজেরা মহান রবের করুণায় রুখে দিতে পারি এই করোনা বিপর্যয়কে। আল্লাহ তাআলা চাইলে নিমিষেই তুলে নিতে পারেন, দুনিয়া থেকে এই মহামারী।
মূলত তিনি চান, আমরা যেন তার দিকে ফিরে যাই পাপ পঙ্কিলতার পথ ছেড়ে। কুরআনে কারীমে ইরশাদ হয়েছে, স্থলে ও জলে মানুষের কৃতকর্মের দরুন বিপর্যয় ছড়িয়ে পড়েছে। আল্লাহ তাদেরকে তাদের কর্মের শাস্তি আস্বাদন করাতে চান, যাতে তারা ফিরে আসে। (সূরা রুম-৪১)
আল্লাহ চান আমরা আমাদের কৃতকর্মের উপর লজ্জিত হয়ে তাওবা ইস্তেগফার করে তার দিকে ফিরে যাই। তিনি বলেছেন আমরা তার কাছে ক্ষমা চাইলে তিনি দুর্দিনের বদলে আমাদের সুদিন ফিরিয়ে দেবেন।
ইরশাদ হয়েছে, অতঃপর বলেছি তোমরা তোমাদের পালনকর্তার ক্ষমা প্রার্থনা কর। তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের উপর অজস্র বৃষ্টিধারা ছেড়ে দিবেন, তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি বাড়িয়ে দিবেন, তোমাদের জন্যে উদ্যান স্থাপন করবেন এবং তোমাদের জন্যে নদীনালা প্রবাহিত করবেন। (সূরা নূহ-১০.১১.১২)
এর পাশাপাশি মানুষের প্রতি করুণা ও দয়ার হাত বাড়িয়ে দান সদকা ও অন্যকে সাহায্য-সহযোগিতা মাধ্যমে এই মহামারি থেকে পরিত্রাণ পেতে পারি আমরা।
আল্লাহর রাসুল সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরশাদ করেন, " করুণা কারীদের রহমান আল্লাহ দয়া করেন, তোমরা জমিনের অধিবাসীদের করুণা ও দয়া করো, তবে আসমানে যিনি আছেন তিনি তোমাদের উপর করুণা ও দয়া করবেন।"
(তিরমিযী,সহীহ)
আল্লামা ইবনুল কায়্যিম রাহিমাহুল্লাহ মানুষের প্রতি করুণা ও দান সদকার গুরুত্ব এবং এর প্রভাব সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়ে তার প্রশি