মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিন শেষ হয়ে এলে  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান

সমাজসেবায় কওমি অঙ্গন ও এর বীর যুবারা!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

তৈয়ব উল্লাহ নাসিম।।
সৌদি আরব থেকে>

বিপদ ও বিপর্যয়কালীন সময়ে শুধু বন্ধুর পরিচয় হয় এমন নয়, বরং স্বজনদেরও পরিচয় হয়, নিজের প্রতিবেশী ও সমাজেরও আসল পরিচয় মেলে ঠিক এমন সময়ে। কে স্বার্থপরতার মুখোশ পরে থাকা আপনজন আর কে আন্তরিক ও মানবিক বন্ধু এবং প্রতিবেশী, এমন সময়ে ঠিকই প্রকাশ পেয়ে যায়। সারা বিশ্ব আজ একটি অজানা অচেনা নতুন ভাইরাস কোভিড ১৯ এর প্রভাবে বিপর্যস্ত।

একটু দেরিতে হলেও বাংলাদেশে এসে এর থাবা পড়েছে। কারণ পুরো বিশ্বটাই আজ প্রযুক্তি ও যোগাযোগ ব্যবস্থার কল্যাণে গ্লোবাল ভিলেজ এর আওতায় এসে ছোট্ট এক ভূখণ্ডে পরিণত হয়েছে। বৈশ্বিক এই পরিবর্তনে পৃথিবীর এক প্রান্তে কিছু ঘটলে বা আক্রান্ত হলে তার শেষ প্রান্তেও কিছু না কিছু প্রভাব পড়েই।

আমাদের দেশটাকে বর্তমানে মধ্য আয়ের এর দেশ দাবি করা হলেও আদতে কিন্তু একটা গরিব দেশই। সমাজের খেটে খাওয়া মানুষগুলো সাধারণত দিন এনে দিন খায়। তারা একদিন যদি কাজে না যেতে পারে ঐদিন তাদের এক রকম না খেয়েই থাকতে হয়। এমন বাস্তবতায় বাংলাদেশে যখন করোনার মহামারী থেকে বাঁচতে লকডাউনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হলো, তখন এই খেটে খাওয়া শ্রেণীর কাজকর্ম সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে গেলো। কাজ বন্ধ মানে তাদের কামাই বন্ধ, কার কামাই বন্ধ মানে তাদের খাবারের ব্যবস্থা নেই।‌

সরকার শুরু থেকেই কিছু ত্রাণের ব্যবস্থা করেছে ঠিক, কিন্তু অব্যবস্থাপনা ও এক শ্রেণীর মানুষের লুটপাট বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকেই নিত্যসঙ্গী। এমন অবস্থায় কেউ ত্রাণ পাচ্ছে কেউ পাচ্ছে না। কেউ কয়েকবার পাচ্ছে দলীয় পরিচয়ে অথবা নেতাগোছের কারো সাথে জানাশোনার কারণে, আবার কেউ একেবারে বঞ্চিত হচ্ছে।

ঠিক এমন এক কঠিন মুহূর্তে এসব গরিব অসহায় মানুষদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে জাতির দুঃসময়ের বন্ধু, কওমির সূর্য সন্তানরা। কওমি মাদ্রাসার সাথে যারা যুক্ত তারা যে খুব বড়লোক কিংবা পয়সাওয়ালা এমন কিন্তু না। যারা কওমিতে শিক্ষকতা করেন বা চাকুরি করেন তাদের বেতন সাধারণত পাঁচ থেকে খুব বেশি আট দশ হাজারের মধ্যে। এবং এ বেতন ও বেশ কয়েক মাস বাকি থেকে যায়।তা সত্ত্বেও এদের রয়েছে বড় একটা মন ও বিশাল এক হৃদয়। এরা নিজেদের এই সীমিত আয় থেকে সবাই মিলে সংগঠিত হয়ে কালেকশন করে, সাথে সমাজের অন্যান্য শ্রেণিকেও যুক্ত করে দেশের সর্বত্র সব এলাকায় নেমে পড়েছে গরীব অসহায় মানুষদের ত্রাণ সাহায্য দিতে, তাদের পাশে দাঁড়াতে।
এযà§