রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬ ।। ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১৩ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কঠিন পথেও পিছপা হবো না: আমিরে মজলিস এইচএসসি পরীক্ষার প্রতিটি কক্ষে সিসিটিভি বাধ্যতামূলক: শিক্ষামন্ত্রী এবার আফগানিস্তানে শক্তিশালী ভূমিকম্প দুইদিনের সফরে ময়মনসিংহ যাচ্ছেন আল্লামা মাহমুদুল হাসান ইলমের সঙ্গে জীবনের দক্ষতা: কওমি শিক্ষার সামনে নতুন বাস্তবতা ইসলামী আন্দোলনের নতুন মহাসচিব কে এই গাজী আতাউর রহমান ইসলামী আন্দোলনের নতুন কমিটিতে ঠাঁই পেলেন যারা ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যেই নিজ ভিটায় ফিরতে শুরু করেছেন লেবাননের বাসিন্দারা বিদেশ সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলেছি : প্রধানমন্ত্রী দারুল উলুম দেওবন্দের নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও পবিত্রতা রক্ষায় কয়েকটি প্রস্তাব

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, ভণ্ড পীরের ৩ বছরের কারাদণ্ড

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মুসলিমদের সঙ্গে প্রতারণা ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ার মামলায় ঢাকার দোহারের ‘হজবাবা’ ভণ্ড পীর মতিউর রহমানকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তার আট সহযোগীকেও বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার এডিশনাল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক এ এস এম মারুফ হোসেন চৌধুরী এ রায় দেন।

দণ্ডিত অপর আসামিরা হলো- সেন্টু পীর, শুকুর, লিয়াকত, কাজল, জিন্টু, আলমাছ, জুলহাস ও আরিফুল ইসলাম বিদ্যুৎ।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আনোয়ারুল কবীর বাবুল গণমাধ্যমকে বলেন, ভণ্ড পীর মতিউর রহমানকে পৃথক দুই ধারায় তিন বছর ও অপর আসামিদের এক বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। জিন্টু ও আরিফুল ইসলাম পলাতক রয়েছে। বাকি আসামিদের সাজা পরোয়ানা ইস্যু করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত এবং প্রতারণার অভিযোগে মতিউর রহমানসহ নয় জনের বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ৯ অক্টোবর দোহার থানায় মামলাটি দায়ের করেন উপ-পরিদর্শক মুহা. তছলিম উদ্দিন।

বাদীর অভিযোগ, ২০১৬ সালের ৮ অক্টোবর নিউজ২৪ টিভি চ্যানেলে প্রচারিত ‘টিম আন্ডার কভার’ অনুষ্ঠানে দোহারের লটাখোলার ‘ভণ্ড পীর’ মতিউর রহমান তার সঙ্গীসহ প্রতারণার মাধ্যমে মুসলিম নারী ও পুরুষদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে। আসামিরা এলাকার সহজ-সরল নারী ও পুরুষদের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে সাড়ে ৭শ’ করে টাকা নিয়ে পবিত্র হজের ন্যায় প্রতীকী অবস্থার সৃষ্টি করে হজ পালন করায়। ভণ্ডপীর মতিউর রহমান তার সহযোগীদের নিয়ে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মনে মিথ্যা ভ্রান্ত ধারণা দিয়ে মগজ ধোলাইয়ের মাধ্যমে মুরিদ তৈরি করে নারীদের দিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপ করান।

মামলাটি তদন্ত করে দোহার থানার পুলিশ পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম শেখ ২০১৭ সালের ৩০ জুন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকার এডিশনাল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের রায় ঘোষণার পর আসামিদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ