রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬ ।। ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১৩ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম ও উপদেষ্টা পরিষদের তালিকায় রয়েছেন যারা সারাদেশে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শুরু, পাবে যেসব শিশু পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার মিলল রেকর্ড প্রায় ১৬ কোটি টাকা জাকাতভোগীদের ডেটাবেইজ ও ‘জাকাত টেলিভিশন’ চালুর প্রস্তাব পার্থর গাজায় যুদ্ধবিরতির পরও ইসরায়েলি হামলায় ১ হাজারের বেশি বেসামরিক নিহত ভেনেজুয়েলার জোড়া ভূমিকম্পে মৃত বেড়ে ১৪৩০, নিখোঁজ ৫১ হাজার লেবানন-ইসরায়েল চুক্তি বাস্তবায়নে সহযোগিতা করবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প দেশের ১২ অঞ্চলে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আভাস ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্প: ধ্বংসস্তুপ থেকে ৩২ ঘণ্টা পর ১৮ দিনের নবজাতক উদ্ধার মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কঠিন পথেও পিছপা হবো না: আমিরে মজলিস

মধ্যপ্রাচ্যে সমস্ত মার্কিন ঘাঁটি ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায়: হিজবুল্লাহ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: লেবাননের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহর মহাসচিব সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহ বলেছেন, পশ্চিম এশিয়া বা মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার যত সামরিক ঘাঁটি আছে তার প্রত্যেকটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় রয়েছে।

জানা যায়ম ইরাকের আইন আল-আসাদ ঘাঁটিতে নিখুঁতভাবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি আমেরিকাকে সেই বার্তা দিয়েছে।

মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর জন্য তিনি ইরানের সামরিক বাহিনীর প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এই হামলার মধ্যদেয় ইহুদিবাদী ইসরায়েলের জন্য বার্তা দেয়া হয়েছে।

গতকাল রোববার সন্ধ্যায় লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলীয় বালবেক শহরে হিজবুল্লাহ সমর্থকদের উদ্দেশে দেয়া এক বক্তৃতায় সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহ একথা বলেন। হাসান নাসরুল্লাহর বক্তব্য টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। তিনি বলেন, “ইহুদিবাদী ইসরাইলের বোকা প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে জানতে হবে যে, সে ভুল জায়গায় হাত দিয়েছে।”

হাসান নাসরুল্লাহ আরো বলেন, মার্কিন নেতাদের দিকে তাকান, এদের চেহারায় কি বিজয়ের ছাপ আছে? এরপর তিনি বলেন, “আমি নিশ্চিত ছিলাম যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন আরবি ভাষার গণমাধ্যমে পারস্য উপসাগর সম্পর্কিত খবর দেখবেন তখন তিনি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাব দেবেন না।”

হাসান নাসরুল্লাহ বলেন, আইন আল-আসাদে ইরান যা করেছে তার শুধুমাত্র আমেরিকানদের মুখে একটি চপেটাঘাত, এটি জেনারেল সোলাইমানিকে হত্যার পুরো প্রতিশোধ নয়। এটি হচ্ছে প্রথম পদক্ষেপ যা চূড়ান্তভাবে পশ্চিম এশিয়া থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনীর উপস্থিতির অবসান ঘটাবে।

বিশ্বব্যাপী আমেরিকার সব ধরনের অপরাধমূলক তৎপরতার সমালোচনা করে হিজবুল্লাহ প্রধান বলেন, বিশ্বের যেখানে যে অপরাধ ঘটুক না কেন তাকে ‘মেইড ইন আমেরিকা’ বলে আখ্যায়িত করা উচিত।

তিনি বলেন, আজকের দুনিয়ায় সবচেয়ে বড় ক্রিমিনাল হচ্ছে আমেরিকা। ইহুদিবাদী ইসরায়েল পশ্চিম এশিয়ায় যে অপরাধযজ্ঞ সংঘটিত করছে তা আমেরিকার ছত্রছায়ায় করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহ বলেন, জেনারেল কাসেম সোলাইমানির শাহাদাতের সবচেয়ে বড় বিজয় হচ্ছে যে, এর মাধ্যমে আমেরিকার চেহারা সবার কাছে উন্মোচিত হয়ে গেছে। জেনারেল সোলাইমানির শাহাদাত অবশ্যই এ অঞ্চল থেকে মার্কিন সেনা সম্পূর্ণভাবে বহিষ্কারের পথে আমাদেরকে এগিয়ে নেবে।

হিজবুল্লাহর প্রতি ইরানের কমান্ডারদের আন্তরিক সমর্থনের প্রশংসা করে হাসান নাসরুল্লাহ বলেন, ইরানি সেনাদের নিশ্চিত সমর্থন পেলেই শুধুমাত্র হিজবুল্লাহ শক্তিশালী হয়ে উঠবে।

তিনি বলেন, জেনারেল কাসেম সোলাইমানি ব্যক্তিগতভাবে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করেছিলেন। তিনি যদি এই সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লড়াই না করতেন তাহলে পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে উগ্র সন্ত্রাসীদের কবলে পড়তে হতো।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ