সৈয়দ আনোয়ার আবদুল্লাহ
অতিথি লেখক
একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা সংগ্রামের পক্ষে যে সব বিশ্ব নেতা অবস্মরনীয় অবদান রেখে ইতিহাসে দ্বীপ্তিমান হয়ে আছেন তাদের অন্যতম বিশ্বের অবিসাংবাদিত মুসলিম নেতা, জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ ভারতের প্রেসিডেন্ট, প্রখ্যাত আলেমেদ্বীন, ওলীয়ে কামেল আওলাদে রাসুল সৈয়দ আসআদ আল মাদানী রহ-এর ভূমিকা অবিস্মরণীয়।
বঙ্গবন্ধু ৭২ সালে পাকিস্তান কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর তিনি যে সকল বিশ্ব নেতাদের সাথে প্রথমে ফোনালাপ করেন ফেদায়ে মিল্লাত সৈয়দ আসআদ আল মাদানী তাদের অন্যতম। বঙ্গবন্ধুর আসআদ মাদানীর একনিষ্ট ভক্ত অনুরাগী ছিলেন।
মাদানী রহ. এর প্রস্তাবেই তিনি ৭৩ সালে বাংলাদেশের উলামায়ে কেরামকে একত্র করে "সিরাত মজলিস" প্রতিষ্টা করেছিলেন। তিনি ৭৪সালের দিকে সৈয়দ আসআদ আল মাদানীকে রাষ্টীয়ভাবে আমন্ত্রণ জানিয়ে বাংলাদেশে নিয়ে আসেন।
তখন হযরতের বাংলাদেশ সফর উপলক্ষে, পীর মুহসেন উদ্দীন দুদু মিয়া, মাওলানা শামছুদ্দীন কাসেমী, মাওলানা মুহিউদ্দীন খান, খতিব উবায়দুল হক জালালাবাদীসহ আলেমদের একটি প্রতিনিধি দল রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে সাক্ষাৎ করেন। তখন বঙ্গবন্ধু পরামর্শ করেন, আসআদ মদনীকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কি উপহার দেয়া যায় এবং কিভাবে সম্মান জানানো যায়।
অনেকে অনেক প্রস্তাব তুলে ধরলে বঙ্গবন্ধু বলেন সৈয়দ আসআদ মাদানীর মতো বিশ্ব বরেন্য আলেমকে আমরা কি উপহার দিতে পারি? তবে হযরতের বাংলাদেশ আগামান উপলক্ষে তাকে দিয়ে এমন একটি প্রতিষ্ঠানের ভিত্তি প্রস্তার স্থাপন করা যেতে পারে যাতে আজীবন তাঁর স্মৃতি বহন করে।
বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, আপনারা চিন্তা করুন, আমি উনার স্মৃতি রক্ষায় এদেশে এমন কিছু করতে চাই যা থেকে হাজারো আসআদ মদনীর মতো মহান আলেম তৈরি হয়। বঙ্গবন্ধুর প্রস্তাবে সকল আলেম খুশি হয়ে একমত পোষণ করেন। পরে প্রাথমিক পক্রিয়ায় তৎকানিক বঙ্গবন্ধু যাত্রাবাড়িতে কওমি মাদরাসার জায়গা বরাদ্দ দেন এবং আসআদ মদনী বাংলাদেশে এলে তাঁর দ্বারা এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। (সূত্রঃ অগ্রপথিক ইসলামিক ফাউন্ডেশন২০১১)
যখন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বঙ্গবন্ধুকে ধরে নিয়ে যায় এবং দেশের নিরীহ মানুষের ওপর বর্বোরোচিত হামলা চালায় তাৎক্ষণà