আলী আব্দুল মুনতাকিম।।
পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া। পাখির দেশ এটি। বৃটিশ উপনিবেশ থেকে ১৯৬৫ সালে স্বাধীনতা লাভ করা দেশ। দেশটি সাপের মত লম্বা আঁকাবাকা। আটলান্টিকের দিকে মুখ হা করে সতত ২৪ ঘন্টা আটলান্টিকের পানি গিলছে আর ফেলছে। এখন মায়ানমারকে গিলে ফেলতে পারলেই হল।
২০,৬৯০ কিলোমিটারের দেশটিতে ১৯ লাখ লোকের বসবাস। ৯৫% মুসলমান। দেশটির তিনদিকে সেনেগাল। বর্তমান রাষ্ট্রপতি এডেমা বারো। ২০১৬ সালের ডিসেম্বরের নির্বাচনে জামমেহকে পরাজিত করার পরে জানুয়ারী ২০১৭ সালে অ্যাডামা ব্যারো গাম্বিয়ার তৃতীয় রাষ্ট্রপতি হন। অভিনন্দন গাম্বিয়া ও তার সরকারকে।
সবার কাছে সুপরিচিত ইসলামি ব্যক্তিত্ব ড. বিলাল ফিলিপস কতৃক প্রতিষ্ঠিত ইসলামিক অনলাইন বিশ্ববিদ্যালয়ের (আইইউ) মূল ক্যাম্পাস গাম্বিয়ার কানিফিং শহরে। এই অনলাইন ভিত্তিক প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম বিশ্বের ২৫০টির মতো দেশে রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির চার লাখ ৩৫ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী রয়েছে। এই ছোট্ট দেশটি আজ গোটা বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করল। মাশাআল্লাহ, মারহাবা!
বিশ্বের সব দেশের দৃষ্টি এখন গাম্বিয়ার দিকে, কারণ কী?
এই শতাব্দীর সেরা মিথ্যাবাদি, শান্তির নোবেলের গায়ে কলংক লেপনকারী, বার্মার নরপিশাচের দল সামরিক জান্তার পদলেহনকারি পুতুল "স্টেট কাউন্সিলর" আং সাং সূচিকে মুসলিম রোহিঙ্গা জাতি নিধনে ও গনহত্যার আসামীদের প্রতিনিধিত্ব করতে বিশ্ব আদালত (আই সি জে) নেদারল্যান্ডসের দি হেগেতে হাজির হতে হয়েছে গাম্বিয়ার আন্তরিকতা,পরিশ্রম ও নির্যাতিত বার্মার মুসলিম ভাইদের প্রতি দায়িত্বশীল জোরালো ভূমিকা রাখার কারনে।
হেগেতে খুনির সহযোগী সূচি কী প্রস্তুতি নিয়ে গেছেন, কী বলবেন, তিনি কে, তার দেশটিই বা কেমন একটু জেনে নেই চলুন। রোয়াই, স্রোহং, রোয়াং, রোসাংগ, রোহিঙ্গা ননাহ নাম ধরে ধরে শত বছরে শেষ পর্যন্ত রোহিঙ্গা নামটি বিশ্ব পরিচিতি পেয়েছে। ১৪৩০ খৃষ্টাব্দ থেকে গৌরের সুলতান জালালুদ্দিন শাহ এবং আরাকানের সুলেমান শাহ মিলে যে আরাকান সভ্যতা তিলে তিলে গড়ে তুলেছেন, এশিয়ার মুসলমানদের ইতিহাস ঐতিহ্যের বিশালটা জুড়েই রয়েছে আরাকান সভ্যতার সেই সে ইতিহাস।
১৪৩০ থেকে ১৭৮৪ পর্যন্ত বলা যায় গৌড়েেের মুসলিম সু