আওয়ার ইসলাম: প্রশাসন পরিস্থিতি যথেষ্ট স্বাভাবিকের দাবি করলেও গণমাধ্যমকর্মীদের দাবি পুরো উল্টো। বিবিসি ও রয়টার্সের মতো সংবাদমাধ্যমগুলোর মতে, সরকারের পক্ষ থেকে কাশ্মীরের পরিস্থিতি স্বাভাবিক বলে দাবি করা হলেও মূলত অহিংস প্রতিবাদ আর চাপা ক্ষোভে ফুঁসছে উপত্যকাটির জনগণ।
যে কোনো মুহূর্তে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়োজিত নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যের সঙ্গে বিক্ষুব্ধ জনতার সহিংস সংঘর্ষ হতে পারে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের প্রথম সারির সংবাদমাধ্যম ‘ডন’।
‘ডন’ জানিয়েছে, শনিবার শ্রীনগরে গ্রেনেড হামলায় এক নারীসহ আটজন হত্যার ঘটনায় কাশ্মীরবাসীর মনে তীব্র ক্ষোভ জন্ম নিয়েছে। প্রয়োজনে সহিংস আন্দোলনে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা।
গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সরকার দাবি করছে কাশ্মীর পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। কিন্তু শনিবার (১২ অক্টোবর) চার সমাজকর্মীর একটি দল জম্মু-কাশ্মীর ঘুরে এসে জানিয়েছেন, সরকারি বয়ানের চেয়ে বাস্তবের কাশ্মীর পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। প্রকৃতপক্ষে উপত্যকাটি নীরব প্রতিবাদে ফুঁসছে।
মনোবিদ অনিরুদ্ধ কালা, জনস্বাস্থ্যকর্মী ব্রিনেল ডিসুজা, সাংবাদিক রেবতী লাউল ও সমাজকর্মী শবনম হাসমি কাশ্মীরের রাজনৈতিক নেতা, আমলা, গৃহবধূ, স্কুলশিক্ষক, ব্যবসায়ী, ট্যাক্সিচালক, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, সমাজকর্মীসহ সমাজের সব স্তরের মানুষের সঙ্গে কথা বলেন।
বিশেষ মর্যাদা বাতিলের পর হিংসার প্রকোপ দেখা না যাওয়াকে কাশ্মীরিদের দাঁতে দাঁত চেপে সহ্য করে যাওয়া বলে জানান তারা।
তাদের মতে, কাশ্মীরবাসীরা নিজ থেকেই দোকানপাট, অফিস বন্ধ রেখেছেন। সরকারের পক্ষে থেকে কাশ্মীরিদের মুখ বন্ধ করে রাখার পাশাপাশি তারা ভালো আছে বলে গণমাধ্যমকে বলতে বাধ্য করানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
-এটি