শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
ডেঙ্গুর টিকা আনতে উদ্যোগ নেবে ডিএসসিসি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ৩০ পেরিয়েছেন? সুস্থ থাকতে গড়ে তুলুন ৭ অভ্যাস জমজমের বরকতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা দেশমাতৃকা উলামায়ে কেরামের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজদের মধ্যে ব্রেইল কুরআন ও সাদাছড়ি বিতরণ দেশে ফিরেছেন সৌদি আরবে আটকে পড়া ৫০ ওমরাহযাত্রী মাওলানা নূরুল হক রহ.-এর কবর জিয়ারত করলেন খেলাফত মজলিস আমির ঢাবির গবেষকদের ‘স্মার্ট ফাঁদে’ শনাক্ত হবে এডিস মশার বিস্তার

প্রতিবেশী দেশের সমস্যা আমলে নেয় না ভারত: কৃষিমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: দেশে ভারতের পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধের সিদ্ধান্তে হতাশা প্রকাশ করে কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, প্রতিবেশী দেশের কোন ধরনের সমস্যা আমলে নেয় না ভারত।

বুধবার রাজধানীর ফার্মগেটের বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলে (বিএআরসি) আয়োজিত এক কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ভারতে কোন ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হলে তারা প্রতিবেশি দেশের কথা চিন্তা করে না। তারা তাদের পণ্যের রপ্তানি মূল্য বাড়িয়ে দেয় অথবা রপ্তানি পণ্যের ওপর ভ্যাট বসায় অথবা রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। ২০১১ সালেও বাংলাদেশে পেঁয়াজের ঘাটতি দেখা দিয়েছিল যেখানে ভারতে পেঁয়াজ উদ্বৃত্ত ছিল। কিন্তু তারপরও তারা সেসময় রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, সরকার অন্যান্য দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানির চেষ্টা করছে। ইতোমধ্যে মিয়ানমার ও চীন থেকে পেঁয়াজ আমদানিও শুরু হয়েছে। তুরস্ক থেকেও পেঁয়াজ আমদানির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। যদিও পেঁয়াজ উৎপাদনের বিভাগের উচিত ছিল আরও অনেক আগে থেকে একটা পরিকল্পনা করা। কিন্তু আগাম বর্ষার কারনে সেটা করা সম্ভব হয়নি।

‘এ বছর আগাম বৃষ্টির কারনে পেঁয়াজ উৎপাদনে প্রচুর ক্ষতি হয়েছে। উৎপাদন কম হওয়ায় এর সঙ্গে জড়িতদের লস গুনতে হয়েছে। বাজারে দামও অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে’।

মন্ত্রী বলেন, বেশি দামে পেঁয়াজের বিক্রি বন্ধ করার জন্য পাইকারি বাজারে অভিযান শুরুর পাশাপাশি ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) মাধ্যমে এ পণ্যটি ‘ন্যায্যমূল্যে’ বিক্রি করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, প্রতিবেশী দেশ ভারতে বন্যার কারণে পেঁয়াজ উৎপাদনে ব্যপাক ক্ষতি হয়। ফলে ভারত সরকার বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানির ক্ষেত্রে এক্সপোর্ট প্রাইজ (এমইপি) বাড়িয়ে দেয়। আগে ভারত থেকে প্রতিটন পেঁয়াজ আমদানি করা হতো ২৫০ থেকে ৩০০ ডলার করে। গত ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৮৫০ ডলার। সর্বশেষ গত ২৯ সেপ্টম্বর পেঁয়াজ রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ করে দেয় ভারত। এর পরই দেশের বাজারে বাড়তে থাকে পেঁয়াজের দাম। বর্তমানে দেশের বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি করা হচ্ছে ১১০ টাকা থেকে ১২০ টাকায়।

-এএ