রবিবার, ২১ জুন ২০২৬ ।। ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ৬ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
জামালপুরে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু শান্তি আলোচনার মাঝেই ইরানে ফের হামলার হুমকি ট্রাম্পের চৈতালী চক্রবর্তীকে গ্রেপ্তার ও আইনজীবী সনদ বাতিলের দাবি হেফাজতের সুইজারল্যান্ডে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি আলোচনা শুরু ডিসি সরওয়ার আলমের প্রত্যাহার আদেশ বাতিলের দাবিতে সিলেটে মানববন্ধন, হরতালের হুঁশিয়ারি মালয়েশিয়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাভারে বজ্রপাতে ৩ জনের মৃত্যু ‘জিয়াউলের নেতৃত্বে ভারত-বাংলাদেশজুড়ে ‘কিলিং নেটওয়ার্ক’ সক্রিয় ছিল’  সংসদে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে হান্নান মাসউদের বক্তব্য ঘিরে উত্তেজনা ‘রামমূর্তি স্থাপনের অজুহাতে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে’

কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি ধান কেনা প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহ নীতিমালা, ২০১৭ অনুযায়ী সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে কেন ধান ক্রয় করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে কৃষি সচিব, খাদ্য সচিব ও খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

গতকাল বুধবার জাতীয় কৃষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম গোলাপের দায়েরকৃত রিটের ওপর শুনানিতে অংশ নিয়ে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মুহা. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহ নীতিমালায় বলা হয়েছে, কৃষকদের নিকট থেকে সরাসরি সংগ্রহ মৌসুমে উৎপাদিত ধান ও গম এবং বৈধ ও সচল চালকল মালিকদের নিকট থেকে চুক্তির বিপরীতে সংশ্লিষ্ট মৌসুমের ধান থেকে ছাঁটাই করা চাল সংগ্রহ করা হবে। এছাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার সরবরাহ করা মৌসুমে আবাদকৃত জমির পরিমাণ এবং সম্ভাব্য উৎপাদনের পরিমাণসহ ডাটাবেইজ হতে প্রযোজনীয় সংখ্যক প্রান্তিক কৃষক নির্বাচন করবে।

উপজেলা কমিটি প্রত্যেকের প্রদেয় খাদ্যশস্যের পরিমাণসহ নির্বাচিত কৃষকদের তালিকা সংশ্লিষ্ট সংগ্রহ কেন্দ্রে প্রেরণ করবে। এ তালিকায় অন্তভর্ভূক্ত কৃষকদের নিকট থেকে ধান ও গম ক্রয় করা হবে। সংগ্রহ কেন্দ্রের কর্মকর্তা কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ড/জাতীয় পরিচয়পত্রের ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত কৃষকদের সনাক্ত করবেন। তালিকা বহির্ভূত কারো নিকট হতে ধান ও গম ক্রয় করা যাবে না।

কিন্তু এ নীতিমালার ব্যতয় ঘটিয়ে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় না করে মধ্যস্বত্ত্ব ভোগীদের কাছ থেকে তা কেনা হচ্ছে। এত কৃষকরা ন্যায্য মূল্য পাচ্ছে না। এই বিষয়গুলো উল্লেখ করে হাইকোর্টে রিট করেন জাতীয় কৃষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম গোলাপ।

রিটে বলা হয়, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের পছন্দের লোক বা স্থানীয় সরকারি দলের লোকজনই আসলে সরকারি গুদামে ধান সরবরাহের সুযোগ পায়। আর তারা কেউই প্রান্তিক কৃষক নন। ক্ষেত্র বিশেষে তারা গরিব কৃষকের ধান কম দামে কিনে বেশি দামে সরকারি গুদামে সরবরাহ করে থাকেন। ফলে ঋণ করে ধান উৎপাদন করে এখন কৃষকেরা তাদের উৎপাদন খরচও তুলতে পারছেন না।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ