মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ।। ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
হজ ব্যবস্থাপনা ও হজ প্যাকেজ নিয়ে কিছু কথা ভুল সংশোধনের সুযোগ পাচ্ছেন নতুন ভোটাররা ব্যক্তিগত মন্তব্যের জন্য সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু ১, হাসপাতালে ৩২৯ মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল সফল করতে রামপুরা নেতাদের সঙ্গে জমিয়তের মতবিনিময় ‎হানাফি উসুল অমূল্য রত্ন ও ফকিহ সাহাবায়ে কেরামের উত্তরাধিকার কওমি মাদরাসায় কারিগরি প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ বিষয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি: চার শিক্ষককে শোকজ বন্যা দুর্গতদের মাঝে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত বিকেএম কেন্দুয়া উপজেলা শাখার ৪১ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন

মিয়ানমারে এখনো সংখ্যালঘুদেরকে যৌন নিপীড়ন করছে সেনাবাহিনী : জাতিসংঘ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: মিয়ানমারে সংখ্যালঘু নৃগোষ্ঠীর জনগণের ওপর এখনো যৌন সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার নিউ ইয়র্কে প্রকাশিত জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনের এক প্রতিবেদনে এমনটাই দাবি করা হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে এই সহিংসতা বন্ধের আহ্বানও জানিয়েছে সংস্থাটি।

মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলীয় কাচিন ও শান রাজ্য এবং পশ্চিমাঞ্চলের রাখাইন রাজ্যে সহিংসতার শিকার শত শত মানুষের সাক্ষাৎকার নিয়ে তৈরি করা হয়েছে এই প্রতিবেদন।

জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়, সেনা সদস্যরা নিয়মিতই কাঠামোবদ্ধভাবে ধর্ষণ, সংঘবদ্ধ ধর্ষণ এবং নারী, পুরুষ, রুপান্তরকামীদের বিরুদ্ধে অন্যান্য যৌন সহিংসতামূলক কর্মকাণ্ড করে আসছে, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন।

ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনের সদস্য রাধিকা কুমারাসামি বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের গণহত্যার মাধ্যমে তারা ধ্বংস করতে চেয়েছিল এবং তাদের পালাতে বাধ্য করেছে।’

প্রতিবেদনে বলা হয়, নারীদের এমনভাবে আঘাত করা হয়েছে যেন তারা স্বামীদের সঙ্গে সহবাস করতে না পারে এবং সন্তান জন্মদানে অক্ষম হয়ে পড়ে।

বেশিরভাগ আক্রমণই ছিল নারী ও কিশোরীদের ওপর। তাদের সিগারেটের আগুনে পোড়ানো হয়েছে, ছুরি দিয়ে কাটা হয়েছে এবং সামরিক ঘাঁটিতে বেশ কয়েকজনকে যৌনদাসী করেও রাখা হয়েছে।

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন সম্পর্কে কুমারাসামি বলেন, এখনো তাদের ফিরে আসার জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি হয়নি।

তিনি বলেন, তারা যে কোথায় ফিরে যাবে তাও নিশ্চিত নয়। গ্রামগুলোর স্যাটেলাইট ছবি থেকে দেখা যায় সেখানে অল্প কিছু বাড়ি রয়েছে। তারা যে নিজেদের গ্রামে ফিরতে পারবে না তা নিশ্চিত।

জাতিসংঘ মিশন জানায়, ২০১৮ সালে মানবাধিকার পরিষদে দেওয়া প্রতিবেদনটি তারা নিজে থেকেই আরও সংযোজন করতে চেয়েছে যেন অন্যায়কারীরা সাজা পায়। এই প্রতিবেদনটির মাধ্যমে মিয়ানমার সরকার ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ