বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
লন্ডনে আন্তর্জাতিক সম্মাননায় ভূষিত মুফতি তাকি উসমানি ২০২৭ সালের মধ্যে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকি সিঙ্গাপুরে এমপি হানজালার সঙ্গে বিকেএম নেতাদের সাক্ষাৎ ১৫ অক্টোবর ২০২৬-এর নামাজের সময়সূচি নিউইয়র্কে পীর সাহেব চরমোনাইকে উষ্ণ অভ্যর্থনা এ সপ্তাহে মসজিদুল হারামের খতিব জুহানি, মসজিদে নববীতে হুযাইফি ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের হামলায় ৫ হাজারের বেশি মসজিদ ক্ষতিগ্রস্ত! ইসলামী আন্দোলনের বায়তুল মাল মাসে এক লাখ টাকার কুপন সংগ্রহ বিড়াল কেনা-বেচা ও লালন-পালনের শরয়ি বিধান

৩৭০ ধারা বাতিলকে চ্যালেঞ্জ করে ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মিরকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘোষণা করতে মোদি সরকারের নেওয়া সাম্প্রতিক পদক্ষেপগুলোকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দেশটির সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দায়ের করেছেন কংগ্রেস সমর্থিত এক আইনজীবী।

এম এল শর্মা নামে পিটিশনকারী এ আইনজীবীর দাবি, বর্তমানে বিষয়টি নিয়ে ভারত সরকার যে পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করছে, তা সম্পূর্ণই ‘অসাংবিধানিক’। যে কারণে জরুরি ভিত্তিতে মামলাটির শুনানি করার জন্য বিচারক বরাবর আবেদনও করেছেন শর্মা।

গত সোমবার (৫ আগস্ট) পার্লামেন্টে ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিলের মধ্য দিয়ে রাজ্যটির ‘স্পেশাল স্ট্যাটাস’ বা বিশেষ মর্যাদা প্রদান করে তা বিলোপের ঘোষণা দিয়েছিল বিজেপি।

যার মাধ্যমে কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসনের অধিকার কেড়ে নেওয়ার পাশাপাশি অঞ্চলটির প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে রাজ্য থেকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করতে বিলটি রাজ্যসভায় পাস করা হয়। এসবের প্রেক্ষিতে পরদিন মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) বিরোধীদের ব্যাপক বিরোধের পরও বিলটি লোকসভায় পাস করিয়ে নেয় ক্ষমতাসীনরা।

যেখানে ‘জম্মু-কাশ্মীর পুনর্গঠন বিল ২০১৯’ নামের বিলটির আওতায় অঞ্চলটিকে দুইভাগ করে দুটি পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পরিণত করার কথা বলা হয়। একই সঙ্গে জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ হবে পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল বলে দাবি বিজেপির।

এ দিকে এমন প্রেক্ষাপটে কেন্দ্রীয় সরকারের এসব সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সর্বোচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হন আইনজীবী শর্মা।

আদালতে তার যুক্তি, ‘সংবিধানের ৩৭০ ধারাকে খারিজ করতে গেলে জম্মু ও কাশ্মীরের বিধানসভায় তা নিয়ে আলোচনা করতে হবে। তবে সরকার এমনটা না করেই সম্পূর্ণ একতরফাভাবে ওই অনুচ্ছেদ বাতিল করেছে।’

এদিকে মোদি সরকারের পাল্টা যুক্তি হলো, সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ অস্থায়ী; বিলটি যেকোনো সময় বাতিল হয়ে যেতে পারে। আর সে ক্ষমতা কেবল রাষ্ট্রপতিরই আছে। সরকারের দাবি, জম্মু ও কাশ্মীরে এখন আর বিধানসভা নেই। সেখানে রাষ্ট্রপতির শাসন চলছে। যে কারণে রাষ্ট্রপতি এরই মধ্যে একটি নির্দেশিকা জারি করেছেন।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ