শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
হাজিদের সেবায় সুনাম কুড়াচ্ছে আল-মিনহাজ হজ ট্রাভেলস পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমরা আবেগ নয়, বাস্তবতাকে প্রাধান্য দিন ১৯৭৯ সালের পর ওয়াশিংটন-তেহরানের প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আজ, কী হতে চলেছে ইসলামাবাদে? বায়তুল মোকাররম এলাকায় হকার-ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ পরীক্ষার সময় সিসি ক্যামেরা চালু রাখতে হবে, কোনো অজুহাতে অফ রাখলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২৭ শিশু ভর্তি রাজনীতিতে যারা ওয়াদা ভঙ্গ করেছে তাদের পরিণতি কিন্তু খুব ভালো হয়নি : নাহিদ ইসলাম হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হবে ঢাকায়  ৫ সপ্তাহ পর আল-আকসায় জুমা, মুসল্লিদের ঢল আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা যাদের, নমিনেশনে অগ্রাধিকার তাদের : রিজভী

রোহিঙ্গাদের নিতে মিয়ানমারের প্রস্তুতি নেই ইচ্ছেও নেই

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে মিয়ানমারের তেমন কোনো প্রস্তুতি নেই বলে জানিয়েছে গবেষণা সংস্থা অস্ট্রেলিয়ান স্ট্র্যাটেজিক পলিসি ইনস্টিটিউট, এএসপিআই৷ স্যাটেলাইট দিয়ে তোলা রাখাইন অঞ্চলের ছবি বিশ্লেষণ করে এ মন্তব্য করেছে তারা৷

প্রতিষ্ঠানটির একজন গবেষক নাথান রাসার রয়টার্সকে জানান, স্যাটেলাইটের মাধ্যমে পাওয়া ২০১৮ ও ২০১৯ সালের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এখনও ঐ অঞ্চলে ঘরবাড়ি ভেঙে ফেলার ঘটনা ঘটছে - যা রোহিঙ্গাদের নিরাপদে পুনর্বাসিত করতে মিয়ানমার সরকারের আগ্রহের বিষয়টিকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে৷

তবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি রাখাইন প্রশাসনিক বিভাগের উপ-পরিচালক কিয়া সয়ার তুন৷ ২০১৭ সালে সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে মিয়ানমারের রাখাইন অঞ্চলের প্রায় ৭ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়৷ সে সময় সেনাবাহিনীর নির্যাতনে বহু রোহিঙ্গা নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে৷ তদন্ত শেষে এ হামলাকে ‘জাতিগত নিধন' বলে মন্তব্য করেছে জাতিসংঘ৷

ঘটনার এক বছর পর বাংলাদেশ সরকারের সাথে আলোচনার মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়ার বিষয়ে একমত হয়েছিল মিয়ানমার সরকার৷ কিন্তু শেষ পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবসন প্রক্রিয়া শুরু করা যায়নি৷

এএসপিআই বলছে, রাখাইন অঞ্চল পুনর্গঠনের কোনো চিহ্ন তাদের চোখে পড়েনি৷ ২০১৭ সালের পর থেকে এ অঞ্চলে নিরাপত্তারক্ষীদের উপস্থিতি বাড়ানো হচ্ছে বলে সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে৷ এমনকি রাখাইনের রোহিঙ্গা অধ্যুষিত অঞ্চলে সেনাবাহিনীর ছয়টি ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে বলে ধারণা করছে এএসপিআই৷

২০১৮ সালে রয়টার্সের এক তদন্তে দেখা গেছে, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ রাখাইন অঞ্চলে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের জন্য বসতঘর নির্মাণ করছে৷ রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন বিষয়ে মিয়ানমার সরকারের নেয়া পরিকল্পনায় দেখা গেছে, রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ গ্রামে নয় বরং আলাদা এলাকায় প্রত্যাবাসনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে৷

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ