মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
কাশ্মীরের মসজিদগুলোতে জুমার খুতবার বিষয় নির্ধারণ করবে কেন্দ্রীয় কমিটি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের ইন্তেকালে খিদমাতুল ইসলাম পরিষদের শোক এক প্রাসাদ থেকে অন্য প্রাসাদে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন সৌদি যুবরাজ যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেলেন পীর সাহেব চরমোনাই সৌদি আরবসহ ৩১ মুসলিম দেশের নাগরিকদের নিয়োগ বন্ধ করেছে এয়ার ফ্রান্স আল-আজহারের পরীক্ষায় মেধাতালিকার শীর্ষ দশে ৫ বাংলাদেশি থাইল্যান্ডে জাতীয় কুরআন প্রতিযোগিতায় রাজা-রানি ওমরাহ যাত্রীদের ওপর হামলা গুরুতর অপরাধ: সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ কমিটির চাঁদপুর জেলা কমিটি গঠন তুরস্কের ইবন হালদুন বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনে আজহারী

নামাজ না পড়ে শুধু রোজা রাখলে কি রোজা হবে?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি মোস্তফা ওয়াদুদ কাসেমী । ।

নামাজ জান্নাতের চাবি। রাসূল সা. ইরশাদ করেন, নামাজ বেহেস্তের চাবি। (তিরমিজি, মুসনাদে আহমদ)

নামাজ মুমিনের মেরাজ। নামাজই অন্তরের প্রশান্তি। একজন সত্যিকারের মুসলমান কখনো নামাজ ছাড়তে পারেন না। মাহে রমজানসহ সারা বছরই আল্লাহর কাছে বান্দার আনুগত্য প্রকাশের সর্বশ্রেষ্ঠ পন্থা হলো নামাজ। কেননা নামাজ হচ্ছে আল্লাহর আনুগত্যের প্রধান নিদর্শন।

আল্লাহ তয়ালা যেসব ইবাদত ফরজ করে দিয়েছেন তন্মধ্যে নামাজ অন্যতম। পবিত্র কুরআনে ৮২ বার নামাজের কথা বলা হয়েছে। ইরশাদ হচ্ছে, ‘তোমরা নামাজ আদায় করো ও জাকাত প্রদান করো আর রুকুকারীদের সাথে রুকু করো।’ (সূরা বাকারা, আয়াত: ৪৩)

রমজান মাসে সব ফরজ ইবাদতের মধ্যে নামাজই সবচেয়ে অগ্রগণ্য। নামাজ ঈমানকে মজবুত করে। নামাজের মাধ্যমেই আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায়।

ইসলামের ভিত্তি পাঁচটি। কালেমা, নামাজ, রোজা, হজ ও জাকাত। নামাজ ইসলামের দ্বিতীয় রুকন বা স্তম্ভ। ঈমানের পরই নামাজের স্থান। নামাজ বারো মাসই আদায় করতে হয়। আর রোজা শুধু মাহে রমজানে ফরজ। একজন মুমিন বছরজুড়ে নামাজ আদায় করবেন এটাই স্বাভাবিক।

এরপর যখন পবিত্র মাহে রমজানের আগমন ঘটবে, তখন নামাজ আদায়ের পাশাপাশি রমজানের রোজাগুলোও পালন করবেন। একজন রোজাদার শুধু রোজা রাখবেন, নামাজ পড়বেন না এমনটা কখনও কল্পনা করা যায় না। নামাজের গুরুত্ব ও ফজিলত সম্পর্কে কুরআন ও হাদিসে প্রচুর আলোচনা রয়েছে।

তবে এরপরও দেখা যায় অনেক ভাই রমজানে নামাজের প্রতি অনেক গাফলতি করেন। কষ্ট করে রোজা রাখেন কিন্ত নামাজের সময় হলে ঠিকমতো নামাজ আদায় করেন না। তাদের এ নামাজহীন রোজা কি আদায় হবে? ইসলাম এ ব্যাপারে কী ব্যাখ্যা দেয়?

বর্ণিত বিষয়টি মতানৈক্যপূর্ণ। হাদীসে উভয় রকমের বক্তব্য পাওয়া যায়। তবে ইমামগণের ইজমা হলো, নামাজ যেভাবে ফরজ বিধান । তেমনি রোজাও একটি ফরজ বিধান। কেউ যদি নামাজ না পড়ে। শুধু রোজা রাখে। তাহলে তার রোজা আদায় হবে। আর নামাজ না পড়ার গোনাহ তাকে ভোগ করতে হবে।

আবার এর বিপরীত দলের বক্তব্য হলো, নামাজ না পড়লে রোজা আদায় হবে না। কেননা রাসূল সা. বলেছেন, যে ব্যক্তি আছরের নামাজ ত্যাগ করে তার সকল আমল বাতিল। (বুখারী-৫২০)

এ হাদিসের উপর ভিত্তি করে তারা বলেন, কেউ যদি শুধু রোজা রাখে আর নামাজ না পড়ে তাহলে রোজা কবুল হবে না। তবে ইবনুল কায়্যিম ‘নামাজ’ নামক গ্রন্থের ৬৫ পৃষ্ঠায় (যে ব্যকà§