মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :

রমজান অন্য সব মাসের মতো সাধারণ কোনো মাস নয়

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুহাম্মদ ছফিউল্লাহ হাশেমী

হিজরি বর্ষপঞ্জির নবম মাস রমজান। রমজান এমন একটি মাস যার শুরু সমষ্টিগত ইবাদত দিয়ে, আর শেষ হয় আনন্দঘন ইবাদতের মাধ্যমে। এ মাসে হই-হাঙ্গামা, মানুষকে কষ্টদান ও অশ্লীলতাকে মুসলিমগণ পরিত্যাগ করে থাকে।

এ মাসে সাধারণত কেউ কাউকে প্রতারণা করে না, মিথ্যা কথা বলে না এবং গালমন্দও করে না। তাইতো রাসূলে কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ মাসকে রহমত, মাগফিরাত ও নাজাত প্রাপ্তির মাস হিসেবে ঘোষণা করেছেন। একে সাইয়্যেদুশ শুহুর বা সকল মাসের বাদশাহ বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। রাসূলে কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ মাসকে ‘শাহরুন আজিম’ ও ‘শাহরুম মুবারাকাহ’ নামেও আখ্যায়িত করেছেন।

মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন মাহে রমজানকে বহু ফজিলত ও মর্যাদা দিয়ে মহিমান্বিত করেছেন। এ মাসের মর্যাদা সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন- যখন রমজান মাস আসে তখন জান্নাতের দরজাগুলো খুলে দেয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়। আর শয়তানকে শৃঙ্খলিত করে রাখা হয়। (সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম)।

এ মাসের ফজিলত সম্পর্কে মহানবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও ইরশাদ করেন- তোমাদের নিকট রমজান মাস এসেছে। এ মাসটি বরকতময়। আল্লাহ তাআলা তোমাদের উপর এ মাসের রোজা ফরজ করেছেন। এ মাসে আসমানের দরজাগুলো খুলে দেয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করে দেয়া হয়। আর শয়তানকে শৃঙ্খলিত করে রাখা হয়।

এ মাসে এমন একটি রাত আছে যা এক হাজার রাতের চেয়েও উত্তম। যে ব্যক্তি সেই রাতের কল্যাণ থেকে বঞ্চিত সে সকল কল্যাণ থেকেই বঞ্চিত। (সুনানে নাসায়ি)।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরো বলেছেন- এ মাসে একজন আহবানকারী আহবান করতে থাকে, হে ভালোর অন্বেষণকারী! তুমি অগ্রসর হও। হে মন্দের অন্বেষণকারী! তুমি থেমে যাও। কেননা আল্লাহ তাআলা এ মাসে বহু লোককে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন। আর এ ঘোষণা রমজান মাসের প্রতি রাতেই হয়ে থাকে।” (জামে তিরমিজি ও সুনানে ইবনে মাজাহ)।

এসব বাণীসমূহ থেকে স্পষ্ট বুঝা যায়, রমজান মাস অন্য সব মাসের মতো সাধারণ কোনো মাস নয়। এটি অত্যন্ত পবিত্র ও পূণ্য অর্জনের মাস।

মর্যাদাপূর্ণ মাস। এর কারণ হলো এ মাসে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন মানবজাতির হিদায়াতের জন্য পবিত্র কুরআন নাজিল করেন। মূলত কুরআন মাজিদকে বুকে ধারণ করার কারণেই এ মাস এতো বরকতময় এবং এ মাসের এতো ম